IPL Meeting: মেগা নিলামের ব্যবধান বৃদ্ধি থেকে আরটিএম, আইপিএলের নিয়মে বদল আনার একঝাঁক প্রস্তাব
IPL Meeting: আইপিএলের মেগা নিলামের আগে বিভিন্ন দলের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন আইপিএল কর্তারা। সামনের সপ্তাহেই হতে পারে সেই বৈঠক।
ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার রুল থেকে শুরু করে যে ক্রিকেটারদের ধরে রাখা যাবে তাঁদের স্যালারি ক্যাপ সংক্রান্ত আলোচনা হতে পারে। উঠে আসতে পারে বেশ কয়েকটি পরিবর্তনের প্রস্তাব।

আইপিএলের কিছু দল ৫ বছর অন্তর মেগা নিলাম আয়োজনের পক্ষে সওয়াল করতে পারে। ২০১৪ সালের পর ২০১৮ সালে মেগা নিলাম হয়েছিল। তারপর করোনা পরিস্থিতিতে মেগা নিলাম হয় ২০২২ সালে। ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে উল্লেখ, পাঁচ বছর অন্তর মেগা নিলাম আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হবে।
বর্তমানে তিন বছর অন্তর মেগা নিলাম হয়। কিন্তু কিছু ফ্র্যাঞ্চাইজি মনে করছে, ৫ বছর অন্তর যদি মেগা নিলাম হয় তাতে তা তরুণ ক্রিকেটার, বিশেষ করে যাঁদের আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়নি, তাঁদের প্রতিভা বিকাশের পক্ষে সহায়ক হবে।
২০০৮ সালের আইপিএল থেকে যারা খেলছে সেই দলগুলি আকাদেমি গড়ে প্রতিভা খুঁজে এনে তাঁদের কেরিয়ার গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে। তিন বছর অন্তর মেগা নিলাম হলে কোনও ক্রিকেটারকে যদি কোনও দল তৈরি করে, পরের নিলামে তাঁকে হারানোর আশঙ্কা থেকে যায়।
আইপিএলের কিছু দল মনে করছে, পাঁচ বছর অন্তর মেগা নিলাম হলে কোর প্লেয়ারদের ধরে রাখা সহজ হবে। তাছাড়া স্বচ্ছ পদ্ধতিতে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বেতন সংক্রান্ত কথাবার্তা চূড়ান্ত করে তা আইপিএল কর্তৃপক্ষকে জানাতেও তৈরি তারা। ধরা যাক, বেস প্রাইসে যে ক্রিকেটারকে কেনা হয়েছে, মেগা নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে না দিয়ে বেতন বাড়ানোও যেতে পারে।
রাইট টু ম্যাচ বিকল্পেও পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল উঠতে পারে। তিনজন প্লেয়ার ধরে রেখে পাঁচটি রাইট টু ম্যাচ অপশন কিংবা আটটিই রাইট টু ম্যাচ অপশন দেওয়ার প্রস্তাব আসতে পারে। তাতে কোনও ক্রিকেটারের আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্ভাবনাও কম থাকবে।
২০১৮ সালের মেগা নিলামের আগে বলা হয়েছিল, পাঁচ ক্রিকেটার ধরে রাখা যাবে। তাঁদের মধ্যে সর্বাধিক তিনজনকে ধরে রাখা যাবে মেগা নিলামের আগে। অথবা সর্বাধিক তিনজনকে নিলাম থেকে নেওয়া যাবে রাইট টু ম্যাচ দিয়ে। ২০২২ সালের নিলামের আগে প্রতিটি দল চারজন করে প্লেয়ার ধরে রাখতে পেরেছিল।
দুই ধরনের কম্বিনেশন দেওয়া হয়। তিনজন ভারতীয় ও একজন বিদেশি অথবা ২ জন করে ভারতীয় ও বিদেশি ক্রিকেটার ধরে রাখার অপশন ছিল। রাইট টু ম্যাচ অপশন হলো নিলামে কোনও ক্রিকেটারের যে সর্বাধিক দর উঠবে, সেই দামেই তাঁকে নিতে পারে তাঁর আগের দল।
এতেও দ্বিমত রয়েছে। কেউ বলছেন, সেক্ষেত্রে নিলামে কারও দর বাড়িয়ে রাইট টু ম্যাচ অপশনের স্ট্র্যাটেজি ঘেঁটে দিতে পারে প্রতিপক্ষ দলগুলি। আবার ধরা যাক, কোনও ক্রিকেটার যখন আইপিএলে সুযোগ পান, কিন্তু তখনও দেশের হয়ে খেলেননি, আইপিএলে খেলে জাতীয় দলেও খেলেছেন। এমন ক্রিকেটাররা নিজেদের দর বাড়াতে নিলামে যেতে পছন্দ করবেন।
ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে এমনটা চাওয়া অন্যায় নয়। কিন্তু যে দল তাঁর কেরিয়ার গড়তে সাহায্য করল তাদের সমস্যা তৈরি হবে। ফলে রিটেনশন তুলে দিয়ে ৮টি রাইট টু ম্যাচ অপশন দেওয়ার কথা বলছেন অনেকে। তিন বছর অন্তর দল আমূল বদলে গেলে ফ্যানবেস তৈরিতেও সমস্যা হয়। এমন কিছু নিয়ম বের করার দাবি উঠবে, যাতে তারকাদের পাশাপাশি কোর টিম ধরে রাখা যায়। যা ফ্যানবেস তৈরির পক্ষে ইতিবাচক হবে।












Click it and Unblock the Notifications