হরমনপ্রীত-স্মৃতি মান্ধানাদের নতুন কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন অমল মজুমদার। ঘরোয়া ক্রিকেটে কোচ হিসাবে অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। মুম্বই রঞ্জি দলের কোচ হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। পাশাপাশি আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজস্থান রয়্যালসের কোচিং স্টাফ হিসেবেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।
গত ২ রা মে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে মহিলা দলের কোচ হওয়ার জন্য আগ্রহীদের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানায় বিসিসিআই। বোর্ডের বিবৃতিতে একাধিক শর্ত দেওয়া হয় আবেদনকারীদের জন্য।
আবেদনকারীকে আন্তর্জাতিক স্তরে ভারত বা অন্য কোনও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে হবে। ন্যূনতম ৫০টি প্রথম-শ্রেণীর ম্যাচে অংশ নিতে হবে। ন্যূনতম এনসিএ স্তরের 'সি' কোচিং সার্টিফিকেট বা একটি স্বনামধন্য সংস্থা থেকে অনুরূপ শংসাপত্র থাকতে হবে। আবেদনকারীর। এক মরসুম কোনও আন্তজার্তিক দলে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা কোনও টি ২০ দলে দুই মরসুম কোচিং করাতে হবে। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ১০ মে।
রমেশ পাওয়ারের পর আবারও দেশীয় কোচের উপরই আস্থা রাখতে চলেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। ঘরোয়া ক্রিকেটে পরিচিত নাম অমল মজুমদার। বাঙালি হলেও মুম্বইয়েই খেলেন তিনি। এনসিএতেও কোচিং করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। দুই মরসুম আগেই তাঁর প্রশিক্ষণে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি জিতেছিল মুম্বই দল। ২০১৯ সালে ভারতে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি।
২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে কোচের পদ থেকে অব্যাহতি দেন রমেশ পাওয়ার। গত বছরের ডিসেম্বরে রমেশ পাওয়ার এনসিএতে স্থানান্তরিত হওয়ার পর থেকে পদটি খালি পড়ে রয়েছে। এরপর থেকে হেড কোচের পদটি ফাঁকা রয়েছে। এনসিআর-র কোচ ঋষিকেশ কনিতকর মহিলা দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন।
বোর্ড সূত্রের খবর, অনূর্ধ্ব ১৯ দলের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে কনিতকরকে। বয়স ভিত্তিক এই দলে নতুন সাপোর্ট স্টাফও নিয়োগ করা হবে। আগামী কয়েক মাসে হোম সিরিজ রয়েছে ভারতীয় মহিলা দলের।