ভারতে প্রথম নৈশালোকে একদিনের ম্যাচ হয়েছিল কোথায়? পাকিস্তান উড়ে গিয়েছিল আজাদের কীর্তিতে
First Day-Night One Day Match Between India And Pakistan: ১৯৮৩ সাল বললেই প্রথমে মনে পড়ে কপিল দেবের নেতৃত্বে ভারতের বিশ্বকাপ জেতার কথা।
যদিও বিশ্বকাপের পরই ভারতে ঘটেছিল এক ঐতিহাসিক ঘটনা। নৈশালোকে ক্রিকেট ম্যাচ। তাও আবার ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ। ২১ সেপ্টেম্বর দিল্লির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে।

সেই ম্যাচটি আন্তর্জাতিক তকমা বা ওডিআই স্বীকৃতি পায়নি। কিন্তু এই ম্যাচটির গুরুত্ব কোনও অংশে কম ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে গিয়েছিল ম্যাচ থেকে সংগৃহীত অর্থ। এই ম্যাচটির আয়োজক কমিটিতে ছিলেন বিষেন সিং বেদী।
১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান ছিল আলাদা গ্রুপে। কিন্তু ২৫ জুন লর্ডসে ভারত বিশ্বকাপ জেতার পর কপিল দেবের দল প্রথম যে দলের মুখোমুখি হয়েছে তার নাম পাকিস্তান। সেই সময় দেশের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তিনি স্টেডিয়ামে না এলেও ক্রিকেটার ও অফিসিয়ালদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার পাশাপাশি ম্যাচ দেখেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জৈল সিং।
৭০ হাজার দর্শক সাক্ষী থেকেছিলেন দেশের মাটিতে নৈশালোকে প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ দেখার। নিরাপত্তার কারণে হাজার পাঁচেক আসন সংরক্ষিত না থাকলে দর্শকসংখ্যা আরও বাড়তো। ম্যাচটি ৬০ ওভারের হলেও বাতিস্তম্ভের বিভ্রাটে বেশ কিছু সময় নষ্ট হওয়ায় তা ৫০ ওভারের ম্যাচ হয়।
চোটের কারণে সেই ম্যাচ খেলতে পারেননি ইমরান খান। পাকিস্তান টস জিতে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৭ রান করেছিল। দুই ওপেনার মহসীন খান ৫০, মুদাস্সর নজর ৬৫ রান করেছিলেন। তাঁদের পাশাপাশি তিনে নামা পাক অধিনায়ক জাহির আব্বাসের উইকেটও তুলে নিয়েছিলেন কীর্তি আজাদ।
যে তিনটি উইকেট ভারত ফেলেছিল, সব কটিই গিয়েছিল কীর্তির ঝুলিতে। তাঁর বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ১০ ওভার, কোনও মেডেন নেই, ২৮ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট।
১৯৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ভারত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। ১৫ রানে প্রথম, ২৮ রানে দ্বিতীয়, ৪৪ রানে তৃতীয়, ৬২ রানে চতুর্থ,৭৫ রানে পঞ্চম ও ৮০ রানে ষষ্ঠ উইকেট পড়ে যায়। দুই ওপেনার কৃষ্ণমাচারী শ্রীকান্ত ১৩ ও সুনীল গাভাসকর ২ রান করে রান আউট হন।
মহিন্দর অমরনাথ ১১, সন্দীপ পাতিল ১২, যশপাল শর্মা ১২ ও কপিল দেব ৬ রান করেন। রজার বিনিও ৯ রানের বেশি করতে পারেননি। ভারতের সপ্তম উইকেট পড়ে গিয়েছিল ১০১ রানে। আস্কিং রেট বাড়ছিল। মদন লাল তখন কীর্তি আজাদকে বড় শট খেলার পরামর্শ দেন। যেমন কথা, তেমন কাজ।
কীর্তি আর মদনের জুটিই ভারতকে নিয়ে যেতে থাকে জয়ের লক্ষ্যের দিকে। চারটি বিশাল ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন কীর্তি। সবটাই মদনের কথায় উদ্বুদ্ধ হয়ে। এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংই ভারতীয় ইনিংসকে ট্র্যাকে ফেরায়। ৫৭ মিনিটে ৮৬ রানের পার্টনারশিপ ভারতকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যায়।
মদন লাল ৩৫ রান করে আউট হন। তখন ভারতের স্কোর ১৮৭। মদনের পর জাহির আব্বাসের শিকার হয়ে রবি শাস্ত্রী ২ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এগারো নম্বরে নামেন বলবিন্দর সিং সান্ধু। ভারত তিন বল বাকি থাকতে ১ উইকেটে ম্যাচ জিতেছিল কীর্তি আজাদের উইনিং শটে।
চার মেরে ভারতকে জেতান কীর্তি। ৬টি চার ও চারটি ছয় মেরে ৭১ রানে অপরাজিত ছিলেন। প্রদর্শনী ম্যাচ বলে স্বীকৃত হওয়ায় কীর্তির ওডিআই কেরিয়ারে এই রান যোগ হয়নি। তবে তাঁর বিশ্বকাপজয়ী অনেক সতীর্থই মনে করেন, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে এটিই কীর্তির সেরা পারফরম্যান্স।
-
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন -
ডেথ ওভারে অনবদ্য বোলিং করে গুজরাতের বিরুদ্ধে জয় পেল রাজস্থান, টেবল শীর্ষে পরাগ বাহিনী











Click it and Unblock the Notifications