শিখর ধাওয়ানকে হুমকি প্রাক্তন স্ত্রী আয়েষার, দিল্লির আদালতে গব্বরের স্বস্তি
শিখর ধাওয়ানকে তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী আয়েষা মুখোপাধ্যায় হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। মানহানিকর কিছু তথ্য পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস সিইওকে। এর প্রেক্ষিতে আদালত থেকে স্বস্তি আদায় করে নিলেন ভারতীয় ক্রিকেটার।
শিখর ধাওয়ানের স্বস্তি দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে। প্রাক্তন স্ত্রী আয়েষা মুখোপাধ্যায় তাঁর কেরিয়ার শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলে আদালতের দ্বারস্থ হন ভারতীয় দলের এই ক্রিকেটার। তারই প্রেক্ষিতে আয়েষাকে আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, শিখরের মানহানি হয় এমন কোনও কিছুই করা যাবে না।

২০২১ সালে শিখর ও আয়েষার বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়। ৯ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাঁদের এক পুত্রসন্তান রয়েছে, নাম জোরাবর। পুত্রসন্তান আপাতত মায়ের সঙ্গেই রয়েছে। আয়েষা অস্ট্রেলীয় নাগরিক। দিল্লির ফ্যামিলি কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আয়েষা সোশ্যাল মিডিয়ায় শিখর সম্পর্কে এমন কিছু পোস্ট করতে পারবেন না যাতে তাঁর সম্মানহানি হয়। শিখরের খ্যাতিতে আঘাত করে এমন কোনও কিছু কোথাও বলা থেকেই বিরত থাকে আয়েষাকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
শিখর আদালতে আবেদন করে জানান, তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী হুমকি দিয়েছেন ক্রিকেট কেরিয়ার নষ্ট করে দেওয়ার। মানহানিকর কিছু মেসেজও তিনি আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের সিইও ধীরজ মালহোত্রাকে পাঠিয়েছেন। তাঁর সুনাম নষ্টের চেষ্টার অভিযোগও প্রাক্তন স্ত্রী-র বিরুদ্ধে এনেছেন ভারতীয় ক্রিকেটের গব্বর। বিচারক হরিশ কুমার শুনানি চলাকালীন বলেছেন, যদি শিখর সম্পর্কে সত্যিকারের কোনও অভিযোগ থেকে থাকে তাহলে আয়েষা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারেন। যদিও তার আগে শিখর সম্পর্কে কোনও অভিযোগ থাকলে তা বন্ধু, আত্মীয়-স্বজনকে জানানো বা জনসমক্ষে জানানো যাবে না।
আদালত পরবর্তী কোনও নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশই বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন বিচারক। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া, সংবাদপত্র, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন-সহ কারও কাছে প্রমাণিত নয় এমন কোনও তথ্য আয়েষা জানাতে পারবেন না। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে শিখর ও আয়েষার বিয়ে হয়েছিল। শিখরের চেয়ে আয়েষার বয়স বেশি। শিখরের সঙ্গে বিয়ের আগেও একবার আয়েষার বিয়ে হয়েছিল এবং তখন তাঁর কন্যাসন্তানও ছিল। ২০১৪ সালে শিখর-আয়েষার পুত্রের জন্ম। ২০২০ সাল থেকেই তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন।












Click it and Unblock the Notifications