BCCI: কোচ নিয়োগ নিয়ে ধীরে চলো পন্থা নিচ্ছে বিসিসিআই, আবেদনকারীর সংখ্যা জানলে চমকে যাবেন
আইপিএল শেষ হতেই ভারতীয় দলের কোচ নিয়োগ নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। সোমবারই কোচের পদে আবেদনের সময়সীমা শেষ হয়েছে। কে হবেন রাহুল দ্রাবিড়ের উত্তরসূরি তা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। তবে এরই মধ্যেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, সচিন তেন্ডুলকার, এমএস ধোনি ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের প্রধান কোচের চাকরির জন্য আবেদনকারীদের তালিকায় রয়েছেন।
একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, বিসিসিআইয়ের বিজ্ঞাপনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় দলের কোচের পদের জন্যতিন হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। কিন্তু তাদের বেশিরভাগই প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং রাজনীতিবিদ সহ ভুয়া নাম থেকে এসেছে।

এর মধ্যে বিদেশি কোচের নামও ছিল। অস্ট্রেলিয়ার দুই প্রাক্তন জাস্টিন ল্যাঙ্গার এবং রিকি পন্টিংয়ের নামও প্রকাশ্যে এসেছিল। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ পরিষ্কার করে দেন, অস্ট্রেলিয়ার কাউকেই কোচের পদের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
ভারতের মাটিতে ওয়ান ডে বিশ্বকাপেই চুক্তি শেষ হয়েছিল। টি২০ বিশ্বকাপের কথা ভেবেই আর কোচ পরিবর্তনের পথে হাঁটেনি বোর্ড। দ্রাবিড় আর চুক্তি বাড়াতে চান না। পরবর্তী হেড কোচ বাছাইয়ে বিসিসিআইয়ের পছন্দের তালিকায় একদম শীর্ষে রয়েছেন গম্ভীর। দ্রাবিড়ের পরে গম্ভীরের জাতীয় দলের হেড কোচ হওয়ার দৌড়ে হট ফেভারিট।ভারতীয় বোর্ডের লক্ষ্য ২০২৭ বিশ্বকাপ। সেই বিশ্বকাপ পর্যন্ত তিন ফরম্যাটের জন্য এক জন কোচই নিয়োগ করবে বোর্ড।
এরইমধ্যে একটি ইংরেজি সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, নাইটদের মালিক শাহরুখ খান গম্ভীরকে ১০ বছরের জন্য কেকেআরের দায়িত্ব দিতে চান তিনি। এ বার গৌতম যদি ভারতের হেড কোচ হন, তা হলে তাঁকে কেকেআর টিম ছাড়তে হবে।
গম্ভীর ২০০৭ সালে ভারতের টি২০ বিশ্বকাপ ২০১১ সালে ওডিআই বিশ্বকাপ জয়ী দলের অংশ ছিলেন। তিনি ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত সাতটি আইপিএল মরশুমে কেকেআর-এর অধিনায়কত্ব করেছিলেন এবং সেই সময়কালে নাইটরা পাঁচবার প্লে-অফের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছিল। তাঁর অধীনে ২০১২ এবং ২০১৪ সালে দুটি শিরোপা জিতেছিল নাইটরা। এবার মেন্টরশিপেই নাইটরা শিরোপা জিতেছে।












Click it and Unblock the Notifications