অস্ট্রেলিয়া বনাম ভারত, শন মার্শ ভাঙলেন লজ্জার রেকর্ড! ১৩০ বছরে এমনটা দেখা যায়নি
ভারতের বিপক্ষে অ্যাডিলেড টেস্টের প্রথম ইনিংসে শন মার্শ একটি অবাঞ্ছিত ১৩০ বছরের পুরনো টেস্ট রেকর্ড করেছেন।
স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারে অনুপস্থিতিতে এই অস্ট্রেলিয়া দলের ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে অভিজ্ঞ মুখ শন মার্শ। কাজেই ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে রেকর্ড ভেঙে টেঙে তিনিই দলের রান এগিয়ে নিয়ে যাবেন এরকমই প্রত্যাশা ছিল অস্ট্রেলিয়া টিম ম্যানেজমেন্টের।
অ্যাডিলেডে তিনি রান পাননি। কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁর ব্যাটে ভাঙল ১৩০ বছরের পুরনো এক রেকর্ড। তবে এটি এমন এক রেকর্ড যা তাঁর হাতে ভাঙুক তা নিশ্চিতভাবে চায়নি অস্ট্রেলিয়া। ৩৫ বছরের এই অজি ব্যাটসম্যান এদিন ১৯ বল খেলে মাত্র ২ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন।

অবৈধ মাদ্রাসা
বর্ধমান-কাণ্ড: অবৈধ মাদ্রাসায় বসেই দেশবিরোধী কার্যকলাপের ছক কষেছিল জামাত জঙ্গিরা। গোয়েন্দারা বলছেন, অবৈধ অর্থ ঢুকছে দেশে। তার ফলে গজিয়ে উঠছে বেআইনি মাদ্রাসা। বর্ধমান হিমশৈলের চূড়া মাত্র।

পরপর ৬ ইনিংস
এর ফলে এই নিয়ে পর পর ছয় ইনিংসে তিনি দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারলেন না। মার্শের এই ছয় ইনিংসে এক অঙ্কের রান করা শুরু হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে, ওয়ান্ডারার্স-এ। সেই থেকে তিনি আউট যথাক্রমে ৭,৭,০,৩, ৪ ও ২ রানে।

বর্ধমান বিস্ফোরণ কাণ্ডের গোপন পরিকল্পনা
বর্ধমান বিস্ফোরণ কাণ্ডের গোপন পরিকল্পনা ফাঁস হয়েছিল তদন্তে। জঙ্গিরা যে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একত্রীকরণ চেয়েছিল সেই তথ্যই উঠে এসেছিল তদন্তে।

১৩০ বছরের পুরনো রেকর্ড
রেকর্ড বই বলছে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট দলের প্রথম পাঁচ ব্য়াটসম্য়ানের কেউ পর পর ছয় ইনিংস ধরে দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছতে পারেননি। এরকমটা শেষ দেখা গিয়েছিল সেই ১৮৮৮ সালে। জর্জ বোনোর এই কুখ্যাত রেকর্ডের অধিকারী। তিনি অবশ্য মার্শের থেকেও অনেক এগিয়ে রয়েছেন। পর পর ১০ ইনিংসে তাঁর ওই খারাপ দশা চলেছিল। শেষ ইনিংসে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তিনি শূন্য করেছিলেন। তারপর থেকে আর কোনওদিন অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে খেলারই সুযোগ পাননি তিনি।

সন্ত্রাস মডিউলের পরিবর্তন
পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগ ব্যবহার করেছিল জামাত-এ-ইসলামি। আইবি এবং এনআইএ -র অনুমান প্রশাসন তাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিল। সঙ্কেত ছিল কিছু শীর্ষ নেতা স্থানীয় নেতাদের জেএমবি-র 'অপারেশন'-এ মদত দেওয়ার জন্য উপদেশ দিয়েছিল।

২০১৮ সালে শন মার্শ
২০১৮ সালটা টেস্ট ক্রিকেটে মার্শের খুবই খারাপ গিয়েছে। ৮টি টেস্ট খেলে তিনি মাত্র ৩১৯ রান করতে পেরেছেন। গড় মাত্র ২২.৭৮। ১টি মাত্র শতরান করতে পেরেছেন। আর একটি অর্ধশতরানের ইনিংসও খেলতে পারেননি।

সরকারি আধিকারিকদের মদত
সরকারি জমিতে এই বেআইনি মাদ্রাসা তৈরি করার জন্য স্থানীয় সরকারি আধিকারিক এবং জেএমবি সদস্যদের মধ্যে লেনদেনও হয়েছে বলে সূত্রের তরফে জানানো হয়েছে। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন গ্রাম পঞ্চায়েত এবং এলাকার কাজে ঢোকার চেষ্টাও চালিয়েছিল জেএমবি। তাদের কাছে কাছে এমন বহু মিথ্যা নথি ছিল যা দিয়ে প্রমাণ হয় তারা ভারতীয়।

অশ্বিন বনাম মার্শ
এই নিয়ে অশ্বিনের বলে টেস্টে পঞ্চমবার আউট হলেন শন মার্শ। একমাত্র উমেশ যাদব এরচেয়ে বেশিবার (৮ বার) মার্শকে টেস্টে আউট করেছেন। অশ্বিনের বিরুদ্ধে তাঁর টেস্টে রানের গড় মাত্র ১.৬!

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে রিপোর্ট
বর্ধমান-কাণ্ডে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ বিন্দুমাত্র সহায়তা করেনি এনআইএ-কে। তাই তারা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে না পেরে এখন দর্শক হয়ে বসে আছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের কাছে রিপোর্ট দিয়ে এই অভিযোগ জানিয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট অফিসাররা।

অগ্নিশর্মা মুখ্যমন্ত্রী
বর্ধমান কাণ্ড: 'অযথা রাজ্যের বিষয়ে নাক গলাচ্ছে কেন্দ্র', তদন্তভার এনআইএ-র হাতে যেতেই এমনটাই অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন তিনি চাইছিলেন না তদন্তভার এনআইএর হাতে যাক সে নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।

আইইডি উদ্ধার
যে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে রাজ্য পুলিশ একটা কিছু খুঁজে না পেয়ে বাড়ি সিল করে দিল। পরে সেই বাড়িতেই অভিযান চালিয়ে ৪০টি আইইডি উদ্ধার করল এনআইএ ও এনএসজি।

মাস্টারমাইন্ড
বর্ধমান বিস্ফোরণ কাণ্ডের অভিযুক্ত মাস্টারমাইন্ড সাদিজ ওরফে শেখ রেহমাতুল্লাহকে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশকিন্তু কলকাতায় সাজিদের উপস্থিতি এই জল্পনা উস্কে দিচ্ছে তবে কী নিজেদের অপারেশন কলকাতা থেকেই এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছিল জেএমবি।

পনস্টেবল যোগ
বর্ধমান কাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য আমজাদকে দিল্লিতে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ওঠে এক এসএসবি কনস্টেবলের বিরুদ্ধে।

সারদা কাণ্ড-বর্ধমান বিস্ফোরণ যোগ
বর্ধমান বিস্ফোরণ কান্ডের সঙ্গে সারদা কেলেঙ্কারির যোগ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছিল এনআইএ দল। অবশেষে সেই সম্ভাবনারই চূড়ান্ত প্রমাণ এনআইএ-র হাতে এসেছে বলে তদন্তকারি এক অফিসার একথা ওয়ানইন্ডিয়াকে জানিয়েছেন। ওই অফিসারের কথায়, খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডে মৃত শাকিল আহমেদ ওরফে স্বপন মণ্ডল সারদা তহবিলের টাকা নিয়েছিল যা পশ্চিমবঙ্গে কাজের জন্য লাগানো হয়েছিল।

স্থানীয় নেতাদের মদত
বর্ধমান বিস্ফোরণ কাণ্ডে ধৃত রেজাউল করিমের কাছ থেকে রাজনৈতিক যোগ থেকে শুরু করে প্রশিক্ষণ শিবির পর্যন্ত নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায় এনআইএ। জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি-র গুরুত্বপূর্ণ সদস্য রেজাউল। রেজাউলকে জেরা করে চাঞ্চল্যপূর্ণ তথ্য জানতে পারে এনআইএ। রেজাউল জানায়, স্থানীয় নেতাদের সাহায্য ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে এতগুলি মডিউল গড়ে তোলা সম্ভব ছিল না।
বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত কাঁচামাল স্থানীয় বাজার থেকেই পেয়েছে তারা স্থানীয় নেতাদের সাহায্যে।

তৃণমূল নেতার বাড়িতে আশ্রিত জঙ্গিরা
যারা বর্ধমানে বসে বোমা বানাচ্ছিল, তাদের সঙ্গে 'মাল্টিপল লিঙ্ক' বা বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের যোগাযোগ ছিল। ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন, আল জিহাদ ও সিমি-র সঙ্গে তারা সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল। বাংলাদেশের মৌলবাদী সংগঠন জামায়াতে ইসলামির সঙ্গেও বিস্ফোরণে মৃত শামিম আহমেদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।
যে ভাড়াবাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তার মালিক তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা নুরুল হাসান চৌধুরী।

ঘুমন্ত পুলিশ
বর্ধমান বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে পুলিশ নাকে তেল দিয়ে ঘুমোচ্ছিল কেন












Click it and Unblock the Notifications