Asia Cup 2023: শারজার বদলা কলম্বোয় নিল ভারত, ফাইনালে সর্বনিম্ন স্কোরের লজ্জার বিশ্বরেকর্ড শ্রীলঙ্কার
Asia Cup 2023: মহম্মদ সিরাজের ছয় উইকেট। হার্দিক পাণ্ডিয়ার তিন উইকেট। জসপ্রীত বুমরাহর ১ উইকেট। ভারতীয় পেসারদের দাপটে আজ কলম্বোয় এশিয়া কাপের ফাইনালে ১৫.২ ওভারে শ্রীলঙ্কা ৫০ রানে অল আউট হয়ে যায়।
এশিয়া কাপেই শুধু নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোনও প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচে এটিই সর্বনিম্ন স্কোর। লজ্জার এই বিশ্বরেকর্ডটি ভারতের কাছ থেকে গেল শ্রীলঙ্কার নামের পাশে। শারজার বদলায় কলম্বোয় নিল মেন ইন ব্লু।

২০০০ সালে শারজায় কোকা কোলা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে শ্রীলঙ্কা ৫ উইকেটে ২৯৯ রান তোলার পর ভারত ২৬.৩ ওভারে মাত্র ৫৪ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। চামিন্ডা ভাস পাঁচটি, মুথাইয়া মুরলীধরন তিন উইকেট নিয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ভারতের বিরুদ্ধে। ফাইনালে ১৮৯ রান করে ম্যাচের সেরা হন সনৎ জয়সূর্য। সিরিজ-সেরাও হন।
আজকের আগে অবধি কোনও টুর্নামেন্টের ফাইনালে ভারতের ৫৪ রানই ছিল সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড। ৫০ ওভারের ফরম্যাটে হওয়া কোনও ফাইনালে মোট চারবার বিভিন্ন দল একশোর কমে অল আউট হয়েছে। আজকের এশিয়া কাপ ফাইনাল ও ২০০০ সালে শারজায় হওয়া ভারত-শ্রীলঙ্কা ফাইনালের কথা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে।
২০০২ সালের শারজা কাপের ফাইনালে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ২৯৫ রান তুলেছিল। শ্রীলঙ্কা সেই ম্য়াচে ১৬.৫ ওভারে ৭৮ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল। ওয়াকার ইউনিস ও শোয়েব আখতার নিয়েছিলেন তিনটি করে উইকেট। ওয়াসিম আক্রম নেন ২ উইকেট।
২০১৯ সালে আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লিগ ডিভিশন ২-র ফাইনালে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ওমান ২৯ ওভারে ৮১ রানে গুটিয়ে যায়। এ তো গেল ফাইনালের কথা। শ্রীলঙ্কা ৫০ রানের কমে গুটিয়ে গিয়েছে ওডিআইয়ে তেমন নজিরও রয়েছে। ২০১২ সালে পার্লে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কা ৪৩ রানে অল আউট হয়ে গিয়েছিল।

শ্রীলঙ্কার আজ ৬ উইকেট পড়েছিল ১২ রানে। কানাডা ছাড়া এত কম রানে ওডিআইয়ে ছয় উইকেট হারানোর নজির নেই। ২০১৩ সালে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ১০ রানে ও ২০০৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ১২ রানে কানাডা ছয় উইকেট হারিয়েছিল।
কোনও ফাইনালে সেরা বোলিংয়ের নিরিখে আকিব জাভেদের নজির ছুঁতে পারলেন না মহম্মদ সিরাজ। ১৯৯১ সালে উইলস ট্রফির ফাইনালে শারজায় মহম্মদ আজহারউদ্দিনের ভারতের বিরুদ্ধে ১টি মেডেন-সহ ১০ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে ৭ উইকেট নেন আকিব জাভেদ। কোনও ফাইনালে এটিই সেরা বোলিং।
১৯৯৩ সালে হিরো কাপ ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২টি মেডেন-সহ ৬.১ ওভারে ১২ রানে ছয় উইকেট নিয়ে আজহারের ভারতকে চ্যাম্পিয়ন করতে অবদান রাখেন অনিল কুম্বলে। অজন্তা মেন্ডিস ২০০৮ সালের এশিয়া কাপ ফাইনালে মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারতের বিরুদ্ধে ১ মেডেন-সহ ৮ ওভারে ১৩ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন।
আজ সিরাজ জায়গা করে নিলেন মেন্ডিসের পরেই। ২০০৫ সালে শ্রীলঙ্কায় ইন্ডিয়ান অয়েল কাপ ফাইনালে আশিস নেহরা ১টি মেডেন-সহ ১০ ওভারে ৫৯ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। সেই ম্যাচে মারভান আতাপাত্তুর শ্রীলঙ্কা ১৮ রানে হারিয়েছিল রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বাধীন ভারতকে।












Click it and Unblock the Notifications