কোন কোন কারণে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকে, জানেন
কোলেস্টেরল দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হল LDL (এল ডি এল ) ও অপরটি হল HDL(এইচ এল ডি)। LDL কোলেস্টেরল হল লো ডেনসিটি, এতে রক্তের ঘনত্বের অনেক কম থাকে, আরেকটি হল HDL কোলেস্টেরল হল যেটিতে রক্তের ঘনত্ব অনেক বেশি থাকে।
বর্তমান সময়ে প্রায় বেশিরভাগ মানুষেরই কিন্তু কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকে। এর পিছনে এমন অনেক কারণ রয়েছে, যা আমাদের হয়তো জানি না,তবে অনেক সময় বলা হয় নিত্যদিনের এমন অনেক অভ্যাস আছে যেগুলির কারণে আমাদের শরীরে অনেক সময় বেড়ে যায় কোলেস্টেরলের মাত্রা, বাসা বাঁধতে পারে নানান ভয়ংকর রোগও।

কয় রকমের কোলেস্টেরল হয়?
কোলেস্টেরল দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি হল LDL (এল ডি এল ) ও অপরটি হল HDL(এইচ এল ডি)। LDL কোলেস্টেরল হল লো ডেনসিটি, এতে রক্তের ঘনত্বের অনেক কম থাকে, আরেকটি হল HDL কোলেস্টেরল হল যেটিতে রক্তের ঘনত্ব অনেক বেশি থাকে। ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, যে ব্যক্তির শরীরে কোরেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকে সেই ব্যক্তির হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের সম্ভাবনা থাকে।

কোন কোন খাবার খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়
তবে কেন শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকে, জানেন। বলা হয় উচ্চ কোলেস্টেরল তখনই হয় যখন রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি থাকে এবং শরীরের চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে। এইচ এন এসের রিপোর্ট বলছে, চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া কমাতে হবে, ব্যায়াম করতে হবে। অতিরিক্ত ওজন কমাতে হবে। শুধু তাই নয় ধূমপান, অ্যালকোহল ছাড়তে হবে। শর্করা জাতীয় খাবার আমাদের শরীরে খুব কোলেস্টেরল খুব বাড়িয়ে দেয়। যার জন্য নানান বিপদের সম্মুখীন হতে হয় আমাদের।

কোন ধরনের ওষুধ বেশি খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি বাড়ে
এমন কিছু ওষুধ রয়েছে যা আমরা যদি প্রায় দিনই খাই, তাহলে আমাদের শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব বাড়তে থাকবে । যেমন মূত্রবর্ধক, ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন, অ্যাটিপিকাল অ্যান্টিসাইকোটিকস, বিটা-ব্লকার, এইচআইভি জাতীয় ওষুধ আমাদের বেশি খাওয়া উচিত নয়। এগুলি খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব বাড়িয়ে তোলে। যা আমাদের শরীরের অনেক ক্ষতি করে। এগুলি খেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।

এড়িয়ে চলুন অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন
অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন আমাদের জীবনে কত বড় দুর্ঘটনা আনতে পারে তা আমরা সকলেই জানি। তবুও সেখানে লাগাম দিতে আমরা সবসময় পেরে উঠি না। বলা হয়, যদি আপনি কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে আপনাকে অনেক অভ্যাস ছাড়তে হবে। সিডিসি অনুসারে, ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। অ্যালকোহল কখনোই খাবেন না। প্রত্যেকদিন ব্যায়াম করবেন বা হাঁটবেন। ওজনকে ধরে রাখবেন। মানে কোনও অতিরিক্ত ওজন হতে দিলে চলবে না। ধূমপান অস্বাস্থ্যকর খাদ্য বা ব্যায়াম ছাড়াও কিন্তু আমরা অনেক সময় কোলেস্টেলে আক্রান্ত হই। কিডনির রোগ বা হঠাৎ হঠাৎ ফুলে গেলেও মানুষ কিন্তু কোলেস্টেরলেও আক্রান্ত হন।

জিনগত কারণ
সিডিসির এক রিপোর্ট অনুসারে জানা গিয়েছে, যদি কোনও ব্যক্তির পরিবার কারোর কোলেস্টেরল থাকে তাহলে সেই পরিবারের অন্য কোনও ব্যক্তিও কোলেস্টেরলে আক্রান্ত হতে পারেন অর্থাৎ জিনগত কারণে অনেক সময় কোলেস্টেরল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে কোন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে
যদি কোনও ব্যক্তির খুব কম বয়সে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়, তাহলে তার দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন। যদি তিনি চিকিৎসা না করেন বয়সের সঙ্গে সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রা আরও বাড়তে থাকবে। সেই ব্যক্তি হৃদরোগেও আক্রান্ত হবেন। যদি কোনও ব্যক্তির শরীরে বেশি মাত্রায় কোলেস্টেরলের থাকে, তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications