Small Business Ideas with Low Investment: কলার চিপসের ব্যবসা! মাসে ৬৫ হাজারেরও বেশি রোজগারের সুযোগ
Small Business Ideas with Low Investment: একেবারে অল্প বিনিয়োগ করে কোনও ব্যবসা শুরু ক রতে চাইছেন! কিন্তু কি এমন ব্যবসা ( Business Idea) করবেন তা ভেবে পাচ্ছেন না। এই প্রতিবেদনে এমন একটি ব্যবসার আইডিয়া দেওয়া হল যা শুরু করে মোটা অঙ্কের লাভ ঘরে তুলতে পারবেন। কিন্তু কি সেই ব্যবসা?
ছোট হোক কিংবা বড়! সবারই পছন্দের তালিকায় অবশ্যই চিপস (Chips)। কোনও নির্দিষ্ট সময় নয়, সব সময়ে চিপসের চাহিদা থাকে। চিপসের বড় মার্কেট রয়েছে। যদিও স্বাদ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের চিপস রয়েছে বাজারে। তবে আলুর তৈরি চিপসের চাহিদা বেশ ভালো রয়েছে। তবে কলার তৈরি চিপসেরও বেশ চাহিদা রয়েছে। আর তা (Banana Chips Business Idea) তৈরি করে মোটা অঙ্কের লাভ পকেটে তোলা সম্ভব। শুধু ব্যবসায়ীক দৃষ্টিভঙ্গিতেই নয়, স্বাস্থ্যের জন্যেও কলার তৈরি চিপস ( Banana Chips) ভালো। কিন্তু কীভাবে এই ব্যবসা শুরু করবেন?

কীভাবে Banana Chips তৈরির ব্যবসা শুরু করবেন?
কলা থেকে এই চিপস বানানো হয়। কলার তৈরি চিপসের বেশ চাহিদা রয়েছে। যেমন স্বাস্থ্যকর তেমনই টেস্টি এই চিপস। বাজারে ভালো ভাবে বিক্রি করা যাবে। কিন্তু কীভাবে শুরু করবেন এই ব্যবসা? Khadi and Village Industries Commission অর্থাৎ KVIC এই বিষয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে। যেখানে এই ব্যবসা (( Small Business Ideas with Low Investment) শুরু করার যাবতীয় তথ্য, প্রাথমিক বিনিয়োগ সহ যাবতীয় তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
কত টাকা বিনিয়োগ প্রয়োজন?
ছোট ছোট করে এই ব্যবসায় পুঁজি বিনিয়োগ ( Small Business Ideas with Low Investment) রতে পারেন। তবে নুন্যতম এক লাখ টাকা থেকে বিনিয়োগ করা যেতে পারে। যদিও KVIC এর রিপোর্ট অনুযায়ী Banana Chips এর ব্যবসা বড় করে শুরু করতে গেলে নুন্যতম ৪ লাখ টাকা নিয়ে নামতে হবে। প্রজেক্ট রিপোর্ট অনুসারে ওয়ার্কশেড তৈরির জন্য ২,৫০,০০০ টাকা, সরঞ্জামে ১,৫৫,০০০ টাকা এবং ব্যাংকিং ক্যাপিটাল হিসাবে ৫০,০০০ টাকা প্রয়োজন হবে৷ ফলে কলার তৈরির চিপস তৈরির ক্ষেত্রে মোট ৪,৫৫,০০০ টাকার প্রয়োজন। তবে ছোট করে ভাবলে এত কিছু প্রয়োজন হবে না।
KVIC এর তথ্য অনুসারে এই ব্যবসাতে এক বছরে ২৪ টন কলার চিপস তৈরির টার্গেট রাখতে হবে। যার মোট ভ্যালু ৯,৮৮,৭০০০ টাকা হবে। ১০০ শতাংশ উৎপাদন ক্ষমতায় মোট ১৮,০০, ০০০ টাকার বিক্রি হতে হবে। মোট উদ্বৃত্ত হবে ৮,১১,৩০০০ টাকা হবে। রিপোর্ট অনুসারে, সমস্ত খরচ কেটে বছরে ৭,৮৩,০০০ টাকার রোজগার হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক মাসে ৬৫,০০০ টাকার বেশি রোজগার স্পষ্ট। বলছে KVIC এর রিপোর্ট।

পিএম মুদ্রা যোজনা থেকে লোন নিতে পারেন
তবে ব্যবসা কীভাবে শুরু করবেন সেই সিদ্ধান্ত আপনাকেই নিতে হবে। তবে যদি টাকার সমস্যা হয় তাহলে ব্যবসার পাশে আছে সরকার। PM Mudra Yojana এর মাধ্যমে লোন নিতে পারবেন। এই যোজনার মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লোনের সুবিধা পাওয়া যায়। বিভিন্ন ব্যাঙ্ক, গ্রামীণ ব্যাঙ্ক কিংবা সরাসরি ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও এই লোনের জন্যে আবেদন করতে পারবেন।












Click it and Unblock the Notifications