বয়স কি ৪০ ছাড়িয়েছে, এখনও কোটিপতি হওয়ার সুযোগ রয়েছে, কিন্তু কীভাবে
বয়স চল্লিশ পার হতেই দায়িত্ব বাড়ে। এই সময় কম টাকা বাঁচে। সাধারণভাবে ৪০-এর বেশি বয়সীরা এই একই অভিযোগ করে থাকেন। আবার অনেকে ৪০ পেরনোর পরে ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে সচেতন হয়ে থাকেন। সেই সময় অনেকেই বার্ধক্যের সঞ্চয় জরুরি বলে মনে করেন।
অনেকেই কোটিপতি হতে চান। সেখানে চব্বিশ পেরনোরাতো বটেই। তবে অধিকাংশ মানুষই আর্থিক লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেন না। কারণ তাঁরা ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে খুব একটা ভাবেন না।

বেশিভাগ মানুষ ২৫-৩০ বছর বয়সে চাকরি কিংবা কাজ পেলেও, তাঁরা বিনিয়োগের ব্যাপারে সিরিয়াস নন। অনেকে আবার ৩৫-৪০ বরে গিয়ে বিনিয়োগের কথা ভাবেন। আবার অনেকে ৪০ বছর বয়সকে অবসর গ্রহণের বয়স হিসেবে বেছে নেন।
তবে প্রশ্ন তৈরি হয়, কীভাবে ৪০ বছর বয়সের পরে আর্থিকভাবে শক্তিশালী হওয়া যায় তাহলে কি ওই বয়সে বিনিয়োগ করে অবসর তহবিল তৈরি করা যায় না? এর উত্তর হল, যখনই বিনিয়োগ করুন না কেন, তা যদি সঠিক কৌশলে হয়, তাহলে ৪০ বছরের পরে অবসরের জন্য দুই কোটি টাকার বেশি বাঁচানো যায়। এর জন্য সূত্র রয়েছে।
কোন সূত্রে কোটিপতি?
১৫ বছরে ১৫x১৫x১৫ নিয়মে কোটিপতি হওয়া য়ায়। এই ফর্মুলায় ১৫ বছরে এক কোটি টাকার মালিক হতে পারেন। এই সূত্র হল মিউচুয়াল ফান্ডের। বর্তমান সময়ে আর্থিক উপদেষ্টারা বিনিয়োগকারীদের মিউচুয়াল ফান্ডে এসআইপি করার পরামর্শ দেন। কারণ মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ সহজ। যে কোনও বয়সের মানুষ মিউচুয়াল ফান্ডে সিপ করতে পারেন।
এক্ষেত্রে প্রথম ১৫ মানে প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা করে বিনিয়োগ করতে হবে। দ্বিতীয় ১৫ মানে ১৫ বছর একটানা বিনিয়োগ করতে হবে। আর তৃতীয় ১৫ মানে সেই বিনিয়োগেরও পরে ১৫ শতাংশ সুদ পেতে হবে।
অর্থাৎ কেউ যদি ১৫ বছরের জন্য মিউচুয়াল ফান্ডে প্রতিমাসে ১৫ হাজার টাকা করে বিনিয়োগ করেন আর যদি সেখানে বার্ষিক ১৫ শতাংশ সুদ পান তাহলে মোট ১,০০,২৭,৬০১ টাকা পেতে পারেন। এক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী জমা করবেন ২৭ লক্ষ টাকা আর সুদ হিসেবে ৭৩ লক্ষ টাকা ধরা হয়েছে।
আবার একই সূত্রে ১৫ বছরের জায়গায় কুড়ি বছরে দুই কোটি টাকার ওপরে পাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সূত্র হবে ১৫x১৫x২০। অর্থাৎ কুড়ি বছরের জন্য ১৫ হাজার টাকা করে মাসিক বিনিয়োগে ১৫ শতাংশ করে সুদ পেতে ৬০ বছর বয়সে অনায়াসেই ২,২৭,৩৯,৩২৫ টাকা পাওয়া যেতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications