সম্পর্কে কি চিড় ধরছে ! গৃহস্থে মেনে চলুন এই সহজ পন্থাগুলি গড়ে উঠবে বন্ধুত্ব
যেকোনও সম্পর্কের ভিত্তিই হল বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব ছাড়া কোনও মানুষই একে অন্যের কাছে আন্তরিকতা আশা করতে পারেন না। তাই প্রেম হোক বা স্নেহ বন্ধুত্বই হল যেকোনও সম্পর্কের মূল স্তম্ভ।
যেকোনও সম্পর্কের ভিত্তিই হল বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব ছাড়া কোনও মানুষই একে অন্যের কাছে আন্তরিকতা আশা করতে পারেন না। তাই প্রেম হোক বা স্নেহ বন্ধুত্বই হল যেকোনও সম্পর্কের মূল স্তম্ভ। এমনিতেও বন্ধুত্বের সঙ্গে বিচ্ছেদ হলে , মন মেজাজ ভালো থাকেনা অনেকের, আবার অনেকেই নতুন বন্ধু গড়ে তুলতে পারেন না। বাস্তুশাস্ত্র বলছে এই সমস্যার সমাধান বাড়ি বসেই করা যায়। শুধু কয়েকটি সহজ উপায় অবলম্বন করতে হয়। দেখে নেওয়া যাক সেই সমস্ত সহজ উপায়গুলি।

বন্ধুদের সঙ্গে আপনার ছবি
বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে বাড়িতে টাঙিয়ে রাখুন কিছু ছবি। যে ছবিতে ধরা পড়বে আপনার সঙ্গে আপনার বন্ধুদের হাসি মজার কিছু স্মৃতি। তবে এই ছবিটি বাড়ির দক্ষিণ কোণে টাঙাতে হবে। গ্রুপ ফটো হলে সেটা সবচেয়ে ভালো।

সামাজিক সংযোগ
আরও বেশি সামাজিকতা ধরে রাখতে আত্মীয়, পরিবার, পরিজনেদের সঙ্গে তোলা পুরনো ছবি টাঙিয়ে রাখুন বাড়িতে। হাসি খুশি ছবি যত বাড়িতে টাঙানো থাকবে, ততই মজবুত হবে আপনার সম্পর্কের গাঁথনি।

দক্ষিণ কোণ
বাড়ির দক্ষিণ কোণও আরও উজ্জ্বল করুণ। বলা হয়, বাড়ির দক্ষিণ কোণ বেশি উজ্জ্বল হলে সেই গৃহস্থে সম্পর্কের সমস্যাও হয় না পাশাপাসি বন্ধুত্বের দিক থেকেও তা দৃঢ় হয়।

উজ্জ্বল করুন জীবন
বাড়ির দক্ষিণ দিকে উজ্জ্বল আলো লাগান। সেখানে আকর্ষণ রঙের জিনিসপত্র রাখুন। শুধু দক্ষিণ ন, দক্ষিণ পশ্চিমদিকেও একই রকমের উজ্জ্বল আসবাব রাখুন। এতে আপনার সামাজিক জীবন বেশ রঙিন হয়ে উঠবে, পাশাপাশি গৃহস্থ সম্পর্কগুলিও জোরালো হবে।

পছন্দের রঙ
বন্ধুত্ব গড়তে সমস্যা বা কারোর সঙ্গে নতুন সম্পর্ক গড়তে সমস্যা হলে, আপনি পরতে পারেন আপনার পয়মন্তর রঙের জামা। বা সঙ্গে রাখতে পারেন পয়মন্তর রঙের কাপড় বা জিনিস । ফলে সম্পর্ক গড়তে সুবিধা হবে। এমনই পরামর্শ বাস্তুশাস্ত্রবিদদের ।

এঁটো খাবেন না
বাস্তুশাস্ত্রবিদরা বলছেন, অনেক সময়েই দেখা যায় বন্ধুর এঁটো অন্য বন্ধু খেয়ে নিচ্ছে। এটা একদমই কাম্য় নয় বলে দাবি বাস্তুশাস্ত্রবিদদের মতে। বন্ধুর এঁটো খাওয়া শুভ সংকেত নয় বলে দাবি অনেকের।












Click it and Unblock the Notifications