জানেন ভারতের সবচেয়ে সুখী রাজ্য কোনটা, বেড়িয়ে আসুন ঘরের কাছেই নীল পাহাড়ের দেশ থেকে
ভারতের সবচেয়ে সুখী রাজ্য। ঘরের কাছেই রয়েছে অথচ অনেকেই জানেন না। মিজোরাম তার নাম। গুয়াহাটি পর্যন্ত গিয়েই আমরা থমকে যাই। তার পরে এগোনো আর হয়ে ওঠে না। এবারে গরমের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন মিজোরাম থেকে। যাকে নীল পাহাড়ের দেশও বলা হয়।
ভারতের উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির সৌন্দর্য যে অসামান্য তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রকৃতি যেন সবটা এখানে উজার করে দিয়েছে। সিকিম, মেঘালয়, মণিপুর , ত্রিপুরা, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড। সিকিম তো পাশের বাড়ির মত হয়ে গিয়েছে। অসমও তাই। কিন্তু তার পরে আর কেউ এগোতে চান না। অসমের সঙ্গেই হয়ে যায় মেঘালয় সফর। কিন্তু মিজোরাম কতজন আর পর্যটক যান। অথচ এটাই নাকি ভারতের সবচেয়ে সুখী রাজ্য।

সিকিমে যেমন সব জায়গা অনায়াসে যাওয়া যায় না। পারমিট লাগে। মিজোরামে যেতেও তেমন পারমিট লাগে। তার জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হয়। কলকাতার মিজোরাম হাউস থেকেই মেলে তার পারমিট। একে তো সীমান্তবর্তী রাজ্য হওয়ার কারণেই এই পারমিট নির্দেশিকা। পর্যটকদের পেতে কোনও অসুবিধা হয় না। অনায়াসেই সেটা পেয়ে যান তাঁরা।

মিজোরামকে আবার নীল পাহাড়ের দেশও বলা হয়ে থাকে। আদিবাসী জনজাতিদের ভিড়। রাজধানী আইজল ছবির মত সুন্দর শহর। তেমন পরিচ্ছন্ন। রাজধানী আইজলে অনেক কিছু েদখার রয়েছে। স্টেট মিউজিয়াম, কোহরান, থিয়াঙ্গালিম, বড় চার্জ, হোলি চার্চ, সোলেমন চার্চ। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে ছোট ছোট বাড়ি। রাতে জোনাকির মত জ্বলতে থাকে গোটা শহর।
অনেকেই জানেন না এই মিজোরাম রাজ্যের থানজোল দিয়ে চলে গিয়েছে কর্কটক্রান্তি রেখা। মিজোরাম থেকে থানজোর যাওয়ার রাস্তাকে কোনাকুনি কেটেছে এই রেখা। যাতে পর্যটকরা বুঝতে পারেন তার জন্য বোর্ড লাগানো থাকে রয়েছে সেলফি পয়েন্টও। থানজোর মূলত মিজো বস্ত্রশীল্পীদের গ্রাম বলা হয়। এখানে ঘরে ঘরে তাঁত বোনের মানুষ।

থানজোরের আরেকটি বড় আকর্ষণ হল ভ্যানতাওং জলপ্রপাত। সেখানে ৭৫০ ফুট উঁচু থেেক পড়ে জলধারা। ভ্যানতাওং মিজোরামের সবচেয়ে বড় ঝরনা। একেবারে ওপর থেকে নীচে পর্যন্ত যাওরা রাস্তা আছে। ট্রেক করে যেতে হয়। এখান থেকে কাছেই রয়েছে পুক গুহা এবং ডিয়ার পার্ক। সেটাও সুন্দর। মিজোরামে ঘুরতে ঘুরতে স্থানীয় খাবারের স্বাদও নিতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications