পাহাড়ি ফুলের বাহার আর কাঞ্জনজঙ্গা, বেড়িয়ে আসুন ঘরের কাছেই লামাগাঁও থেকে
যাঁদের পাহাড় প্রিয় তার সঙ্গে পাখি দেখতেও ভালবাসেন তাঁদের জন্য বেড়ানোর সেরা ঠিকানা বিজনবাড়ির লামাগাঁও। বিজয়নবাড়ির কাছে ছোট্ট পাহাড়িগ্রাম লামাগাঁও। সকাল থেকেই পাখিদের কিচির মিচির আর কাঞ্জনজঙ্ঘা দুয়ের একেবারে বন্ধুত্বপূর্ণ সহাবস্থান বললে ভুল হবে না। এতটাই সুন্দর এই জায়গা।
উত্তরবঙ্গে এখন অফবিট লোকেশনের ছড়াছড়ি। তারপরেও অনেকেই এখনও অনেক জায়গায় গিয়ে উঠতে পারেনি। গরমের ছুটি শুরু হয়ে গিয়েছে। পাহাড়ের কোলে লুকিয়ে রয়েছে আরও এক অফবিট ডেস্টিনেশন লামা গাঁও। বিজনবাড়ি থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরেই এই লামাগাঁও। কাঞ্জনজঙ্ঘায় প্রথম সূর্যের আলো দেখে ঘুম ভাঙে গ্রামের।

লামাগাঁওয়ের জনপ্রিয়তা আরেকটি কারণে। এখানে অসংখ্য সব নাম না জানা পাখিদের ভিড়। হঠাৎ করে গাঁছের ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দেয় তাঁরা। আবার কখনও তাঁদের ডাক শুনে অবাক হয়ে যাবেন। যাঁরা পাহাড়ের পাশাপাশি পাখি দেখতে ভালবাসেন তাঁদের জন্য এই লামাগাঁও অসাধারণ একটা প্রিয় জায়গা হয়ে উঠতেই পারে। সকালে একেবারে মোহময়ী হয়ে যায় লামাগাঁও।

লামাগাঁওয়ের রাতের দৃশ্যও মনোরম। শততারা যেন জ্বলে ওঠে চারপাশে। এই লামাগাঁও থেকে েদখা যায় দার্জিলিং। রাতের দার্জিলিংকে দূর থেকে দেখতে কেমন সেটা বোঝা যায় এই লামাগাঁও থেকে। হেমস্টের বারান্দায় হিমেল হাওয়ার শিরশিরানি গায়ে মেখে পাহাড়ের রানিরে রােতর সৌন্দর্য মুগ্ধ করবেই। লামাগাঁও থেকে একেবারে পরিষ্কার দেখা যায় দার্জিলিং শহর।

লামাগাঁও যেতে হলে আগে পৌঁছতে হবে এনজেপি স্টেশনে। সেখান থেকে রোহিনী, কার্শিয়াং হয়ে ঘুম। আবার ঘুম থেকে বিজনবাড়ি। বিজনবাড়ি থেকে ১২ কিলোমিটার লামাগাঁও। এনজেপি থেকে একেবারে গাড়ি ভাড়া করেও আসা যায় আবার শেয়ার গাড়িতেও আসা যায়। আবার হোমস্টে বুক করা থাকলে তাঁদের বলে রাখলেও গাড়ি ঠিক করে দেয়। খুব বেশি ৫ থেকে ৪ হাজার টাকার মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায় সেখানে।
প্রতীকী ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications