জলঢাকা নদীর পাড়ে ঝালং উপত্যকা, বেড়িয়ে আসুন উত্তরবঙ্গের এই অজানা জায়গায়
তিস্তা তোর্ষা তো অনেক হল এবার বেড়িয়ে আসুন জলঢাকা নদীর পাড়ে। উত্তরবঙ্গের এক অফবিট লোকেশন। ভিড় নেই বললেই চলে। গরমের ছুটিতে এখনও কোথায় যাবেন কেউ ভেবে উঠতে পারছেন না তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে এই নতুন জায়গা দলগাঁও।
উত্তরবঙ্গের আর পাঁচটা জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের মত একেবারেই নয় দলগাঁও। তবে এটি কালিম্পং জেলার মধ্যেই পড়ে। অদ্ভুত সুন্দর সেজায়গা। মূলক রাই-গোর্খা,নেপালি সম্প্রদায়ের মানুষের বাস এই দলগাঁওয়ে। ছোট্টগ্রাম। গাছগাছালিতে ভরপুর। পাহাড়ি মানুষের সাদামাঠা জীবন এখানে এলে দেখতে পাবেন। কোনও জৌলুন সেই এই গ্রামের। সেকারণে অনায়াসেই আপন হয়ে ওঠেন দলগাঁওয়ের বাসিন্দারা।

দলগাঁওয়ের কাছ িদয়েই বয়ে গিয়েছে জলঢাকা নদী। উত্তরবঙ্গ মানেই আমরা জানি তিস্তা-তোর্সা। কিন্তু জলঢাকা নদীর পাড়ে ক'জন বেড়াতে গিয়েছেন। অথচ এই নদীর পাড়ে রয়েছে সুন্দর এক উপত্যকা। যাকে ঝালং উপত্যকা বলা হয়। কালিম্পং জেলার মধ্যে হলেও এর কাছেই রয়েছে ভুটান। পাহাড়ের এপিঠে ভারত আর ওপিঠে ভুটান। যদিও ভুটান থেকে আমাদের তেমন কাঠখড় পোড়াতে হয় না। তবে সীমান্তের একটা সুন্দর অনুভূতি পাওয়া যায়।

দলগাঁও যেতে হলে কিন্তু এনজেপিতে নামলে চলবে না। পৌঁছতে হবে নিউ মাল জংশনে। অনেক ট্রেনই এখন নিউ মাল স্টেশনে যায়। সেখান থেকে গাড়িতে ঘণ্টা দেড়েকের পথ দলগাঁও। স্টেশন থেকে গাড়ি ভাড়া করতে পারেন আবার হোমস্টেতে আগে থেকে বলে রাখলে তাঁরাও গাড়ির ব্যবস্থা করে দেন। কাজেই খুব বেশি দূরে নয় এই জায়গাটি। কম খরচে বেড়িয়ে আসার এক নতুন ঠিকানা।

দলগাঁওয়ে কিন্তু বড় কোনও হেটেল নেই। সবটাই হোমস্টে। সেটাও খুব কম। কারণ এখানে পর্যটন অনেক পড়ে শুরু হয়েছে। আর পর্যটকদের তেমন ভিড় হয় না বলে ২ তিনটে হোমস্টেই রয়েছে এখানে। তাই আগে থেকে বুক করে যাওয়াই ভাল। দলগাঁওয়ের একটা জনপ্রিয় খাবার হল ওয়াচিপা। সেটি খেতে ভুলবেন না। অন বদ্য স্বাদ তার। দেশি সরু চালের ভাতের সঙ্গে দেশি মুরগির মাংসের মেলবন্ধনে তৈরি একটি খাবার।












Click it and Unblock the Notifications