গরমে নাজেহাল দশা, ব্যাগ গুছিয়ে চলে আসুন উত্তরবঙ্গের এই অফবিট দারাগাঁও-সামালবংয়ে
গরমে হেরবার দশা দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের। আপাতত তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তি নেই। ৪৫ ডিগ্রি পর্যন্ত চড়বে পারদ। উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গায় গরমের পারদ চড়ছে। তার মাঝেই হিমেল পরশ নিয়ে অপেক্ষা করছে পাহাড়ি গ্রাম দারগাঁও-সামালবং।

অফবিট উত্তরবঙ্গ
দার্জিলিংয়ে ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই দশা। আশপাশের যে জায়গা গুলি রয়েছে সেগুলির হোম স্টেও ফুল। গরম থেকে বাঁচতে সকলে এক প্রকার পালিয়ে বাঁচতে চাইছে পাহাড়ে। আর এতটাই বড় মন পাহাড়ের যে কাউকে ফিরিয়ে দিতে সে রাজি নয়। একটা ভরে গেলে আরেকটা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের অফবিট লোকেশনের অভাব নেই। এমনই অফবিট দুটি জায়গা হল দারাগাঁও-সামালবং।

দারাগাঁও
হোমস্টের বারান্দা থেকেই েদখা যােব কাঞ্চনজঙ্ঘা। এমনই অপরূপ শোবা নিয়ে অপেক্ষা করছে অফবিট দারাগাঁও। ছোট্ট সাজানো গোছানো হোমস্টে রয়েছে এখানে। খাবার দাবারও মিলবে সুস্বাদু। পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে রাস্তা গিয়েছে উঠে। প্রকৃতির খামখেয়ালি পনায় কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা না দিলেও গ্রামের পথে পথে ঘুরে বেড়ালেও মনটা আনন্দে ভরে উঠবে। অসাধারণ এখানকার গ্রাম। সেখানকার মানুষের সাদামাঠা জীবন যাত্রা।

সিঙ্কোনা গাছের ভিড়
দারাগাওয়ে পথের ধারে ধারে অসংখ্য সিঙ্কোনা গাছ। এখানে নাকি সিঙ্কোনা গাছ লাগিয়ে ব্যবসা করা হয়। গ্রামের কাছেই রয়েছে সিঙ্কোনা প্রসেসিং ইউনিট। গ্রামবাসীরা প্রধানত এই সিঙ্কোনা গাছের চাষের সঙ্গে জড়িত। গ্রামের আঁকাবাঁকা পথ ধরে একটু এগোলেই দেখা মিলবে টাইটানিক ভিউ পয়েন্টের। সামনেই পাহাড়ের সারি মুগ্ধ করবে পর্যটকদের। কপাল ভাল থাকলে দেখা গিয়ে পারে কাঞ্জন জঙ্ঘাও।

সামলিবং
দারাগাঁওয়ের কাছে রয়েছে একাধিক স্পট। রামধুরা বেশি দূরে নয়। একের পর পাহাড়ের বাঁক বেগে গাড়ি চলে যাবে পাহাড়ি উপত্যকার পথ ধরে। পথে পেয়ে যাবেন ছোট ছোট ধরনা। ঘণ্টা খানেকের পথ পেরিয়ে পৌঁছে যাবেন সামলিবংয়ে। সেখানেও ছোট ছোট হোমস্টে রয়েছে। কালিম্পং আর কাঞ্জনজঙ্ঘা একসঙ্গে দেখা যায় এই সামলিবং থেকে। হোম স্টের বারান্দায় বসেই কেটে যাবে সকাল সন্ধে।












Click it and Unblock the Notifications