সবুজ ল্যান্ডস্কেপ তার মাঝে মেঘ-পাহাড়ের লুকোচুরি, বেড়িয়ে আসুন উত্তরবঙ্গের উটি থেকে
উত্তরবঙ্গের বেড়ানোর জায়গার কমতি নেই। যেদিকে চোখযায় সেখানেই বেড়াতে ইচ্ছে করে। এতটাই মনমুগ্ধ কর উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জায়গা। তারপরেও কয়েকটি জায়গা যেন আপন সৌন্দর্যে আলাদা হয়ে গিয়েছে। তেমনই একটি জায়গা যাকে উত্তরবঙ্গের উটি বলাই যায় অনায়াসে।

উত্তরবঙ্গের উটি
উটি মানেই আমাদের মন চলে যায় সুদূর কেরলে। দক্ষিণের উষ্ণতার মাঝে একটুকরো শীতল ভূমি উটি। তার মাধুর্য ভোলার নয়। প্রতিবছর দলে দলে পর্যটকরা সেখানে ভিড় করেন। এতটুকুও তার মাধুর্যে কোনও কমতি দেখা যায়নি। কিন্তু অতদূরে যাওয়া তো হুট বললেই হয় না। তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে উত্তরবঙ্গের উটি। সবুজ ল্যান্ড স্কেপ আর চা-বাগানের ভিড়ে মেঘ পাহাড়ের খেলা ঠিক যেমনটা উটিতে দেখা মেলে।

অফবিট রংলি
উত্তরবঙ্গ মানেই যে কেবল জঙ্গল আর কাঞ্চনজঙ্ঘা তা তো নয়। তার মাঝে রয়েছে চা-বাগান। যেখানে হারিয়ে যেতে চায় মন। চাবাগানের মাধুর্য যে কতটা সুন্দর সেটা রংলিতে এলেই বোঝা যায়। আলাদা করে আর বলতে হয় না। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে সবুজ গালিচা বিছিয়ে যেন আসর পেতেছে চা-বাগান। অদ্ভুত সুন্দর তার মাধপর্য। আর দূরে পাহাড়ে খেলা করছে মেঘ-পাহাড়।

রংলির বিশেষত্ব
অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন দার্জিলিংয়েও তো চা বাগান রয়েছে তাহলে এই জায়গাটি আলাদা কেন। রংলি-র চাবাগান আর তার সঙ্গে ভিউ এতটাই সুন্দর যে মিরিককেও হার মানাবে। অনেকেই দার্জিলিং থেকে এখানে সাইড সিইইং করতে আসেন। কিন্তু এখন এখানে একাধিক হোম স্টে তৈরি হয়েছে। তাই পাহাড়ের মেজাজের সঙ্গে তাতে তাল মিলিয়ে চলে এই এখানকার চা-বাগানের মেজাজও। তার সঙ্গে চায়ের স্বাদও অসাধারণ।

চা-বাগানের মাঝে ভ্রমণ
চা-বাগানের হোম স্টে -তে থেকে সারাদিন চা-বাগানের অলিতে গলিতে ঘুরে নেওয়া যায়। চা-বাগানের মধেই রয়েছে ছোট ছোট গ্রাম। এপ্রিল থেকে মে মাসে চা-বাগানের সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। বর্ষায় সবুজ হয়ে ওঠে চা-বাগান। চা-বাগানের অলিতে গলিতে ঘুরতে ঘুতে কীভাবে যে সময় কেটে যাবে তা বুঝতেও পাবরেন না। এখান থেকে টাইগার হিলও দেখা যায়। দূরে উঁকি দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications