কেন্দ্রের পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ মমতা, মোদী সরকার কি দেশে 'একদেশ এক চিন্তা' চাইছে, জানতে চিঠি মমতার
বুধবার করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে চিঠি দেওয়ার পরে এদিন ফের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে (narendra modi) চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতার বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) । এদিন তিনি শিক্ষমন্ত্রকের এক নির্দেশিকার কথা উল্লেখ করেছেন।
বুধবার করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে চিঠি দেওয়ার পরে এদিন ফের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে (narendra modi) চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতার বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) । এদিন তিনি শিক্ষমন্ত্রকের এক নির্দেশিকার কথা উল্লেখ করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার কি শিক্ষা ক্ষেত্রে এক দেশ এক চিন্তার প্রয়োগ করতে চলেছে, সেই প্রশ্ন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারিতে নির্দেশিকা পাঠিয়েছিল কেন্দ্র
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি অনলাইন কিংবা ভার্চুয়াল সভা সেমিনার কিংবা ট্রেনিং দিয়ে থাকে কিংবা অংশ নিয়ে থাকে। তবে তা নিয়ে নির্দেশিকা আছে কেন্দ্রীয় সরকারে। শেষ এই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল ১৫ জানুয়ারি। এদিন প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েই কেন্দ্রের সেই নির্দেশিকার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, নির্দেশিকায় বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির স্বাধীনতা রয়েছে
মুখ্যমন্ত্রী এদিন চিঠিতে দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শিক্ষামূলক সক্রিয়তার ব্যাপারে সর্বোচ্চ স্বাধীনতা দেওয়া আছে দৈনন্দিন কাজে বিদেশে কোনও শিক্ষা কেন্দ্রের সঙ্গে কথা বলার ব্যাপারে। এক্ষেত্তে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন জ্ঞান সবার। এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু বাধ্যবাধকতা অবশ্যই থাকা উচিত। কিন্তু কেন্দ্রের তরফে সরকারি চিঠি দিয়ে যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, তা উচ্চশিক্ষাকে কেন্দ্রীভূত করার জন্যই। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ কি দেশে একদেশ এক চিন্তার পথে পদক্ষেপ নয়, প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শিক্ষা রয়েছে সংবিধানের যুগ্ম তালিকায়
মুখ্যমন্ত্রী চিঠিতে বলেছেন, দুর্গম এলাকা, গ্রাম, কিংবা ছোট শহরে শিক্ষক ও ছাত্রদের কাছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ওই যোগাযোগের মাধ্যম থেকেই তারা বিশ্বের গুণিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী চিঠিতে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন সংবিধানের যুগ্ম তালিকায় রয়েছে শিক্ষা। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে কেন্দ্র কোনও নির্দেশিকা পাঠানোর আগে অবশ্যই রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। আর কেন্দ্র যে কাজ করেছে, তা রাজ্যে সংবিধানিক ক্ষমতাকে অমান্য করার মতোই। এব্যাপারে কেন্দ্রের শিক্ষামন্ত্রকের নির্দেশিকা ফিরিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী
বুধবার প্রধানমন্ত্রী মোদীকে অপর এক চিঠি লিখেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠিতে তিনি বলেছিলেন ভোটের আগেই রাজ্যের মানুষকে করোনার টিকা দিতে যথেষ্ট সংখ্যায় ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে চায় রাজ্য সরকার। সেব্যাপারে কেন্দ্রের অনুমতি প্রার্থনা করেছিলেন তিনি। যদিও তার উত্তরে সরকারের পদক্ষেপ কিছু জানা না গেলেও, বিজেপির তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপকে রাজনীতি বলে কটাক্ষ করেছিল বিজেপি। পাশাপাশি বিজেপির তরফে বলা হয়েছিল, আগে যা টিকা রাজ্যে এসেছে, তার অর্ধেক এখনও রাজ্য সরকার ব্যবহার করে উঠতেই পারেনি।












Click it and Unblock the Notifications