মমতা প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়ে ফুঁসছে মিম, আসাদের সভা বাতিল হতেই কীসের ইঙ্গিত
একদিকে আব্বাসদের জোটঅঙ্ক, অন্যদিকে বাংলার বুকে সফল্যের লক্ষ্য এই দুই দিক মাথায় রেখেই এদিন মেটিয়াব্রুজে সভা করার কথা ছিল এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসির। বাংলার বুকে ভোট পারদ চড়িয়ে এটিই আসাদের প্রথম ২০২১ নির্বাচনী সভা হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রশাসনিক অনুমতি না মেলায় সভা বাতিল হয়। এরপরই আসাদ শিবির কোন পদক্ষেপ নিতে চলেছে তা জানালেন দলের নেতা জমিরুল হাসান।

ক্ষোভ উগড়ে দিল মিম
এদিন সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জামিরুল জানান, 'আমাদের সভা বাতিল করতে হয় কারণ প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। যদিও সবার দশ দিন আগে আমরা অনুমতি চেয়েছি। আমরা এরপর দুপুর ২ টো নাগাদ প্রেস কন্ফারেন্স করব। '

মমতা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়া!
প্রসঙ্গত, মমতা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সুর চড়া করতে শুরু করে দিয়েছে মিম। মমতার সুরেই যে দল এককালে বিজেপি বিরোধিতার ছন্দে তৃণমূলের সঙ্গে জোটের প্রস্তাব দিয়েছিল, সেই মিম এবার ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে মমতা প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

'ক্ষমতার অপব্যাবহার'
মিম জানিয়েছে, 'তারা (মমতা সরকার) ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। সভার জন্য নিয়ম মাফিক অনুমতি নেওয়া আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।' প্রসঙ্গত, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মেটিয়াবুরুজে এদিন সভা বাংলার ভোটঅঙ্কে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে হতে শুরু করেছিল একাধিক মহলের। সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক যেখানে বিজেপি-তৃণমূল ও বাম-কংগ্রেস জোটের ক্ষেত্রে গুরুত্বরে জায়গায় থাকছে,সেখানে এই সভা ভোট রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারত বলে মনে করেছেন অনেকেই।

বিহার ও বাংলার ভোট রাজনীতি
প্রসঙ্গত, বিহারে আসাদউদ্দিনের মিম বিজেপির বি টিম হিসাবে আখ্যা পেয়েছে কংগ্রেসের থেকে। সেই অঙ্কে বহু রাজনৈতিক শিবির মনে করছে, বাংলায় মেরুকরণের ভোটে মিম পা রাখলে তা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে পারে। এতে বিজেপি অ্যাডভান্টেজে থাকতে পারে। যা মোটেও মমতা শিবিরের পছন্দ নয়। এরপর মিমের সভা বাতিল ঘিরে একাধিক মহলে একাধিক জল্পনা তৈরি হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications