বাংলায় তৃণমূলের 'ভোট ভাগাভাগি' রুখতে মিমকে জোরালো ধাক্কা ঘাসফুলের! ফিরহাদের হাত ধরে বড় পদক্ষেপ
বিহার নির্বাচনের পর থেকে কার্যত আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিমকে কেউ বিজেপির বি টিম বলছে, তো কেউ 'ভোট কাটওয়া' তকমা দিয়েছে। এমন এক প্রেক্ষাপটে, বাংলায় মমতা শিবিরের মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক ভাগাভাগি হতে পারে এমন আশঙ্কা মিমকে ঘিরে শুরু হতে থাকে। সেই জায়গা কার্যত ব্লক করতে শুরু করল তৃণমূল।

মিমে ধ্বস
বাংলার সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে নজর রেখে বাংলার ২৯৪ আসনে ৭০ টি জায়গায় প্রার্থী দেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল মিম। এবার সেই মিম কার্যত ভেঙে চৌচির! তৃণমূলের তরফে মিমে ধ্বস লাগিয়ে, দলের যুব সংগঠনের একটা বড় অংশ বিজেপিতে যোগ দেয়।

মিমের কতজনের তৃণমূলে যোগ!
জানা গিয়েছে, মিমের যুব রাজ্য সভাপতি সফিউল্লাহ খান ও তাঁর সঙ্গীরা তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূলের তরফে ফিরহাদ হাকিম নিজে তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। তাঁদের দাবি ২৩ জেলায় মিমের দশ লক্ষ সদস্য রয়েছেন। আর সমস্ত জেলা সভাপতিরাই তৃণমূলে আসছেন।

ভোট কাটা রোখার চেষ্টা!
এই মিম যুব সংগঠনের মূল শক্তি মমতা শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে ফিরহাদ হাকিম বলেন, ' মমতার হাত শক্ত করতে ভোট ভাগাভাগি রুখতে তাঁরা তৃণমূলে এলেন। ' মূলত বিহার ভোটে বিজেপি বিরোধীদের মুসলিম ভোটব্যাঙ্কে মিম থাবা বসায় বলে দাবি ওঠে। সেই ফর্মুলা য়াতে বাংলায় না হয় , তার আগেই তৃণমূল ঘর গোঠাতে শুরু করেছে বলে দাবি অনেকের।

মিমের টার্গেট ও তৃণমূল
মূলত, একুশের ভোটের আগে মিমের টার্গেটে বাংলার ২৪ পরগনা থকে শিরু করে উত্তরবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, মালদা দিনাজপুরের বলয় রয়েছে। দেখা গিয়েছে ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের থেকেও ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে মমতার ভোটব্যাঙ্কে মুসলিম ভোটার বেড়েছে তাৎপর্যপূর্ণভাবে। সেই ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতেই তৃণমূল মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications