শারীরিক অসুস্থতার জেরে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি মদন-শোভন, সুব্রত ফিরলেন প্রেসিডেন্সিতে
রাতে নিজাম প্যালেস থেকে মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। কিন্তু সেখানে অসুস্থতা অনুভব করায় রাতেই মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত ম
রাতে নিজাম প্যালেস থেকে মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। কিন্তু সেখানে অসুস্থতা অনুভব করায় রাতেই মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম-এ। ভর্তি করে নেওয়া হয় মদন মিত্র (madan mitra) এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে (sovan chatterjee) ।

রাতে প্রেসিডেন্সিতে ৪ নেতা
রাতে হাইকোর্টে শুনানিতে জেল হেফাজতের নির্দেশ হওয়ার পরে নারদ কাণ্ডে অভিযুক্ত ৪ নেতা মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমকে সিবিআই-এর দফতর নিজাম প্যালেস থেকে নিয়ে যাওয়া হয় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। সেখানে একদিকে যেমন চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়, কাঁদতে দেখা যায় ফিরহাদ হাকিমকেও। বৈশাখী অভিযোগ করেন একজন আততায়ীকে যেভাবে বাড়ি থেকে তুলে আনা হয়, সেই ভাবে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে তুলে আনা হয়েছে।

ভোরে এসএসকেএমএ ভর্তি মদন-শোভন
প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে অসুস্থতা বোধ করায় ভোর চারটে নাগাদ এসএসকেএম-এ নিয়ে যাওয়া হয় মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। দুজনকেই অক্সিজেন সোপোর্টে রাখা হয়েছে। মদন মিত্র রয়েছেন উডবার্ন ওয়ার্ডের ১০৩ নম্বর কেবিনে। অন্যদিকে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে রাখা হয়েছে ১০৬ নম্বর কেবিনে। সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, কিছু পরীক্ষার পরে তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে।

প্রেসিডেন্সিতে উত্তম কুমার স্পেশাল সেলে সুব্রত-ফিরহাদ
প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের উত্তম কুমার স্পেশাল সেলে রাখা হয়েছে রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিমকে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাতে ঘুম হয়নি সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিমের। রাতে প্রয়োজনীয় ওষুধ খেলেও, খাবার খেতে পারেননি। তাঁরা মর্নিং ওয়াক করেছেন। এদিন তাঁদের শারীরিক পরীক্ষা করা হতে পারে। প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের বাইরে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।

নিশানা বিজেপি, কেন্দ্রকে
নিজেদের অবস্থা নিয়ে অভিযুক্ত নেতারা বিজেপি এবং কেন্দ্রকে নিশানা করেছেন। এক্ষেত্রে সুব্রত মুখোপাধ্যায় কিছু না বললেও, রাতে সংবাদ মাধ্যমের সামনে মদন মিত্র কটাক্ষ করে বলেন, তাঁরা খারাপ আর মুকুল-শুভেন্দু ভালো। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিমকে বলতে শোনা যায়, কোভিড পরিস্থিতির মোকাবিলায় তাঁকে কলকাতার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। তিনি ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা, স্যানিটাইজেশন এবং দেহ সৎকারের যাবতীয় ব্যবস্থা করেছিলেন। কিন্তু বিজেপি কলকাতার মানুষকে বাঁচতে দিল না। তিনি বলেন, বিজেপি সিবিআই, ইডিকে কিনে নিলেও, বিচার ব্যবস্থার প্রতি তাঁদের আস্থা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications