২০২০-র ৩৪ শতাংশ বেশি সংক্রমণ হয়েছে একুশের দু-মাসে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে
গত দশ দিনে ভারতে দৈনিক করোনা সংক্রমণ কমেছে খানিকটা। যদিও এপ্রিল ও মে মাসে রেকর্ড করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ২০২০ সালে করোনার মোট সংক্রমণের তুলনায় ৩৪ শতাংশ বেশি সংক্রমণ হয়েছে ওই দু-মাসে।
গত দশ দিনে ভারতে দৈনিক করোনা সংক্রমণ কমেছে খানিকটা। যদিও এপ্রিল ও মে মাসে রেকর্ড করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ২০২০ সালে করোনার মোট সংক্রমণের তুলনায় ৩৪ শতাংশ বেশি সংক্রমণ হয়েছে ওই দু-মাসে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, মাত্র দুমাসের সংক্রমণ ছাপিয়ে গিয়েছে করনার প্রথম ঢেউকে।

২০২০ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর অবধি ভারতে ১.০২ কোটি সংক্রমণ হয়েছে। আর ২০২১-এর এপ্রিল ১ থেকে ২১ মে-র মধ্যে ১.৩৩ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে মোট সংক্রমণ রেকর্ড করা হয়েছে ১.৫৭ কোটি। যা ২০২০ সালের রিপোর্টের থেকে ৫৩ শতাংশ বেশি।
এছাড়াও মে মাসের মাত্র ২০ দিনের মধ্যে ভারতে গোটা এপ্রিলের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি সংক্রমণ হয়েছে। এপ্রিল মাসে দেশে ৬৪.৮১ লক্ষেরও বেশি করোনভাইরাস সংক্রমণ দেখা গেছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত মে মাসে এই সংখ্যা ছিল ৭২.৬৯ লক্ষ। ভারতে দৈনিক করোনা ভাইরাস সংক্রমণ গত কয়েকদিন ধরে কমছে। ১ মে করোনা সংক্রমণ ৪.০১ লক্ষ ছিল, ২১ মে-তে তা ২.৫৯ লক্ষ হয়েছে।
২০২১-এর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে করোনার সংক্রমণ একেবারেই কমে গিয়েছিল। তারপর নতুন করে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। ১ মার্চ ১৫৫১০ জন করোনা সংক্রমিত হয়েছিল দেশে। এরপর ১৫ মার্চ দৈনিক সংক্রমণের পরিমাণ ২৬২৯১-এ পৌঁছে যায়। ৩১ মার্চ এই সংখ্যা লাফিয়ে পৌঁছয় ৫৩৪৮০-তে।
ভারত ৪ এপ্রিল পূর্ববর্তী সমস্ত রেকর্ড ভেঙে একদিনে ১.০৩ লক্ষ সংক্রমণ হয়। ১৫ এপ্রিল দৈনিক ২ লক্ষ অতিক্রম করে যায় সংক্রমণ। ২২ এপ্রিল দৈনিক সংক্রমণ ৩ লক্ষ ছাড়িয়ে যায়। ৭ মে ভারতে একদিনে ৪,১৪,১৮৮ জন করোনা সংক্রমিত হয়ে পড়েন। ২১ মে তা নেমে গিয়েছে ২.৫৯ লক্ষে।












Click it and Unblock the Notifications