অনুব্রত মমতার মন্ত্রীকে বলে বসলেন অপদার্থ! একুশের আগে রেগে লাল অনুন্নয়নের প্রশ্নে
অনুব্রত মমতার মন্ত্রীকে বললেন অপদার্থ! একুশের আগে রেগে লাল অনুন্নয়নের প্রশ্নে
পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে অনুব্রত মণ্ডল বড়াই করে বলেছিলেন উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। তারপর থেকেই অনুব্রতকে সেই খোঁটা দেওয়া হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে উন্নয়ন যে হয়নি তা নয়, কিন্তু সেই উন্নয়নকে যে অনেকটাই রঙিন করে দেখানো হয়েছিল, তা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে ২০২১-এর আগে। অনুব্রত সামনে তা ফাঁস করে দিচ্ছেন দলীয় সদস্যরাই।

অনুন্নয়নের কথা শুনে অনুব্রত মণ্ডল রেগে লাল
ভরা কর্মিসভায় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের মুখে অনুন্নয়নের কথা শুনে অনুব্রত মণ্ডল রেগে লাল হয়ে গেলেন। আর তারপরই পাশে বসে থাকা মন্ত্রীকে করলেন নিশানা। সোজাসাপ্টা মন্ত্রীকে অপদার্থ বলতেও দ্বিধা করলেন না। কেন তাঁর এলাকায় পঞ্চায়েত প্রধান ও অঞ্চল সভাপতির ভূমিকা সঠিক নেই, তা নিয়েই বেধে গেল তর্ক।

কোন মুখে ভোট চাইব, কেনই বা ভোট দেবে!
কর্মিসভায় মাইক হাতে অনুব্রত মণ্ডল প্রশ্ন করেছিলেন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যকে- তোমার বুথে ভোটার কত, হারলে কেন? তখনই তাঁর সাহসী জবাব, গ্রামে উন্নয়ন হয়নি তাই হেরেছি। ৪০ শতাংশ রাস্তাও ঢালাই হয়নি। কোন মুখে ভোট চাইব। কেনই বা ভোট দেবে। তা শুনে নিজেকে খানিক সমালে নেন অনুব্রত।

তুমিই অঞ্চল প্রেসিডেন্ট, তুমিই প্রধান, কী করে লিড হবে!
তারপরই খোঁজ পড়ে পঞ্চায়েত প্রধান ও অঞ্চল সভাপতি। একজনই দুই পদ নিয়ে বসে আছেন। তা শুনে অনুব্রত বলেন, তুমিই অঞ্চল প্রেসিডেন্ট তুমিই প্রধান, সেখানে দলের লিড কী করে হবে। এরপরই পাশে বসা মন্ত্রীকে তোপ দাগেন অনুব্রত। রাজ্যের কৃষিমন্ত্রীকে তিনি বলে বসেন, একেবারে অপদার্থ। পঞ্চায়েত প্রধান ও অঞ্চল সভাপতিকে নিশানার পর অনুব্রত বলেন, আর এই যে আছে একটা অপদার্থ আনারুল আর আশিস ব্যানার্জি।

মন্ত্রীকে অপদার্থ তকমা, বিতর্কের ঝড় অনুব্রতর কথায়
তাঁর এই অপদার্থ কথাতেই বিতর্কের ঝড় ওঠে। অনুন্নয়ন শুনে রাগে লাল হয়ে মঞ্চে বসা মন্ত্রীকে তিনি যেভাবে অপদার্থ তকমা দিলেন, তাতে দলের অন্দরে ঝড় উঠতে বাধ্য। যদিও আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অনুব্রত মণ্ডল তাঁকে কিছুই বলেননি। অযথা বিতর্ক বাধানোর চেষ্টা হচ্ছে। আমরা কোথায় ফাঁক-ফোকর তা জানতেই এক হয়ে লড়াইয়ের জন্যই কর্মিসভা করছি।

ঢেকে রাখতে পারছেন না অনুন্নয়ন, প্রশ্ন তুলছেন সদস্যরা
তৃণমূলের এই অনুন্নয়ন-দ্বন্দ্বে বিজেপি বেশ মজা লুঠছে। বিজেপির জেলা সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল বলেন, অনুব্রতবাবু দলের কার্যকর্তাদের শাসন করতেই পারেন। কিন্তু তিনি যে আর ঢেকে রাখতে পারছেন না অনুন্নয়ন। এখন কার্যকর্তারা তাঁর মুখের উপর প্রশ্ন তুলছে, আসন্ন নির্বাচনে এর জবাব চাইবে মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications