আসছেন না উপ-নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন, শেষ মুহূর্তে সফর বাতিল ঘিরে জল্পনা
আসছেন না পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন। বুধবার রাতে তাঁর শহরে আসার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাঁর সফর বাতিল হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হঠাৎ কেন তাঁর সফর বাতিল তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
আসছেন না পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন। বুধবার রাতে তাঁর শহরে আসার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাঁর সফর বাতিল হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হঠাৎ কেন তাঁর সফর বাতিল তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।

পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত পুদুচেরির নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে আজ বুধবার দিল্লিতে বৈঠকে বসে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার। ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন। একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। জানা যায়, সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে যে ছয় থেকে সাত দফায় বাংলায় ভোট করাতে চায় কমিশন।
মার্চের ৭ তারিখের মধ্যে ভোটের দিন ঘোষণা কমিশন করতে পারে বলে খবর। ফলে এখনও হাতে বেশ কিছুটা সময় রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। সেই কারনে আরও বেশ কিছু কাজ গুছিয়ে উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈনকে বাংলায় পাঠাতে চায় নির্বাচন কমিশন। তবে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলা প্রশাসন ও রাজ্যের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল তাঁর। শেষ মুহূর্তে সফর বাতিল হওয়াতে বৈঠকগুলিও বাতিল হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে জোরদার ভোট প্রস্তুতি চালাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। দফায় দফায় রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করছেন মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক। ভিডিও কনফারেন্সে এই বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক আরিজ আফতাব। জেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে করেছেন বৈঠক।
অন্যদিকে, চলতি বছরেই অসম, কেরল, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গ এই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করাটাই বড় চ্যালেঞ্জ কমিশনের কাছে। ভোটের আগেই বাংলায় চলে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কোন রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, কোথায় কত কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে, এই সব বিষয়ে আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, এ রাজ্যের ৭০০০ বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও করোনার কারনে বাংলায় বুথের সংখ্যাও বাড়ছে। প্রায় লক্ষাধিক দাঁড়াচ্ছে বুথের সংখ্যা। বিরোধীরা সমস্ত বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। সেখানে ঠিক কত বাহিনী বাংলার জন্যে প্রয়োজন তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সূত্রের খবর, ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন বলে ইতিমধ্যে রাজ্যের তরফে কমিশনকে জানানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
পাশপাশি ভারতে নতুন করে ফের করোনার প্রভাব। বাড়ছে সংক্রমণ। অনেকেই বলছেন এটি নাকি সেকেন্ড ওয়েভ। এই অবস্থায় চার রাজ্যে ভোট। ফলে
বৈঠকে করোনার দ্বিতীয় ওয়েভের আতঙ্ক নিয়েও কথা হয়েছে। যাতে নিরাপদে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা যায় সে দিকে খেয়াল রাখতে চায় কমিশন। বয়স্ক নাগরিকদের কথাও বিশেষ ভাবে মাথায় রেখে পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। পিপিই কিট কিংবা মাস্ক কোথায়, কিভাবে পাঠানো হবে, তা নিয়েও ভাবনা-চিন্তা করছেন কমিশনের আধিকারিকরা।












Click it and Unblock the Notifications