Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সভাপতির পদ নিয়ে কংগ্রেস হাইকমান্ডের পদক্ষেপে অসন্তুষ্ট অধীর চৌধুরী! কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াইয়ের বার্তা

প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে তাঁকে অপসারণ করা নিয়ে দলের হাইকমান্ডের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বহরমপুরের প্রাক্ত সাংসদ অধীর চৌধুরী। এদিন দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি অপসারণের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে অজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হয়তো সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছে, যা সোমবারের বৈঠকের সময় পরোক্ষে জানানো হয়েছে।

দলের সাংগঠনিক কাঠামোর উল্লেখ করে অধীর চৌধুরী বলেছেন, যেদিন মল্লিকার্জুন খার্গে দলের সভাপতি হন, দলের সংবিধান অনুযায়ী দলের সব পদই অস্থায়ী হয়ে যায়। সেই তালিকার বাইরে তিনি নন। মল্লিকার্জুন খার্গের একটি বিবৃতি স্মরণ করেন অধীর চৌধুরী। যেখানে তাঁকে বাদ দেওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত নির্বাচন চলার সময় মল্লিকার্জুন খার্গে বলেছিলেন, প্রয়োজনে অধীর চৌধুরীকে বাইরে রাখা হবে। এই মন্তব্যে সেই সময় তিনি অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।

Adhir Chowdhury

দলের খারাপ ফলের দায়িত্ব তাঁর
সাম্প্রতিক নির্বাচনে রাজ্যে দলের খারাপ ফলাফলের কথা স্বীকার করে অধীর চৌধুরী বলেছেন, তিনি দলের অস্থায়ী সভাপতি হলেও খারাপ ফলের দায়িত্ব তাঁরই।

দলের সভাপতি হিসেবেই প্রস্তাব পাশ
অধীর চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি প্রাক্তন হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কংগ্রেসের তরফে বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গুলাম আহমেদ মীর। কিন্তু গত ২১ জুন কলকাতায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে তাঁরই সভাপতিত্বে প্রদেশ সভাপতির পদ-সহ রাজ্য কংগ্রেসের কমিটি ভেঙে দেওয়ার প্রস্তাব পাশ করানো হয়েছিল।
প্রায় একমাসের বেশি সময় পরে ২৯ জুলাই দিল্লিতে দলের সভায় সেই গুলাম আহমেদ মীর তাঁকে প্রাক্তন সভাপতি বলায় তিনি অবাক হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এর ফলে তিনি বুঝতে পারছেন তাঁর অপসারণ আগে কোনও ঘোষণা ছাড়াই চূড়ান্ত করা হয়েছে।

খার্গের কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছিলেন
অধীর চৌধুরী তাঁর পদত্যাগ নিয়ে দলের মধ্যে যোগাযোগের অভাবকেও তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, সভাপতি হিসেবে পদত্যাগপত্র তিনি মল্লিকার্জুন খার্গের কাছে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়েছে কিনা তা জানানো হয়নি। সেই চিঠির কোনও জবাবও তিনি পাননি।

দলের কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা
অধীর চৌধুরী বলেছেন, কংগ্রেসের লোকদের মারছে তৃণমূল। যে কর্মীরা তৃণমূলের হাতে মার খাচ্ছে, তাঁদের জন্য তাঁরা বলবেন নাতো কারা বলবেন? তিনি আরও বলেছেন, শাসক তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রতিদিন ভাঙছে। ইন্ডিয়া ব্লকে সামিল হওয়ার পরেও তা বন্ধ হয়নি। তাঁর প্রশ্ন, তৃণমূল তো এরাজ্যের শাসক দল, তারা কি কংগ্রেস কর্মীদের কোনও রকম রেহাই দিয়েছে? তিনি বলেছেন, আজও কংগ্রেস কর্মীরা জেলবন্দি, মিথ্যা মামলায় জর্জরিত।

তিনি অভিযোগ করেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের অফিস দখল করেছে এবং করছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তিনি কীভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে চুপ করে থাকবেন? যদি চুপ করে থাকেন, তাহলে সেইসব দলী. কর্মীদের প্রতি অবিচার করা হবে। যা তিনি কখনই পারবেন না বলে জানিয়েছেন। অধীর চৌধুরীর আবেদন যে কর্মীরা রাতদিন লড়াই করছে, দলের পতাকা নিয়ে রাস্তায় আন্দোলন করছে তাদের সঙ্গেও দিল্লি কথা বলুক, তাদের মতামতও জানা দরকার। অধীর চৌধুরী বলেছেন, তিনি সেইসব কর্মীদের সঙ্গে রাস্তায় থাকবেন। অন্যায়ের সঙ্গে তিনি আপোশ করেননি, করবেনও না।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+