হাফ ভোটে সাফ দিদি, আর ফিরবে না তৃণমূল! বর্ধমানের সভা থেকে মমতাকে নিশানা মোদীর
হাফ ভোটে সাফ দিদি, আর ফিরবে না তৃণমূল! বর্ধমানের সভা থেকে মমতাকে নিশানা মোদীর
বর্ধমানে সভা। আর সেই সভার শুরুতেই মিহিদানার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (narendra modi)। তাঁর প্রশ্ন বর্ধমানের মিহিদানা কি পছন্দ নয় দিদির? কেন এত রাগ তাঁর? হাফ ভোটে দিদি (mamata banerjee) সাফ হয়ে গিয়েছেন। তাই দিদির আতঙ্ক বেড়েছে। মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বিজেপির মন্ত্র হল সবকা সাথ, সবকা বিকাশ
প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, বিজেপির মন্ত্র হলো সকলের সাথে, সকলের বিকাশ, সকলের বিশ্বাস। আর তৃণমূলের মন্ত্র হলো মাকে অত্যাচার করো। মাটিকে লুণ্ঠন করো। আর মানুষের রক্ত গঙ্গা বইয়ে দাও। বর্ধমানের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, উপস্থিত সমস্ত বাংলার মা-বোনেদের তিনি জানাতে চান, বিজেপি সরকার এলে আপনাদের ঘরে পাইপ লাইনের মাধ্যমে বিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা দায়িত্বের সঙ্গে পালন করা হবে।

নন্দীগ্রামে ক্লিন বোল্ড
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, নন্দীগ্রামে ক্লিন বোল্ড হয়ে গিয়েছেন দিদি। পার্টির দায়িত্ব ভাইপোকে দিতে চাইছিলেন তিনি। কিন্তু মানুষ দিদির খেলা বুঝে ফেলেছে। তিনি আরও বলেন, বাংলায় চায় আসল পরিবর্তন, বাংলা তৃণমূলের কুশাসন চায় না। বাংলা চায় না দিদি-ভাইপোর হিংসার খেলা। প্রধানমন্ত্রী বলেন. বাংলা চায় বিকাশ, বাংলা তায় সুশাসন, বাংলা চায় নারী সুরক্ষা, বাংলা চায় কর্মসংস্থান।

হাফ ভোটে সাফ তৃণমূল
প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, এখনও পর্যন্ত আটদফার মধ্যে চার দফা নির্বাচন হয়েছে। অর্থাৎ হাফ ভোট হয়ে গিয়েছে। সেই হাফ ভোটে তৃণমূল সাফ হয়ে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দাবি এই অর্ধেক ভোটে বিজেপির ১০০ আসন পাবে। যে কারণে দিদির আতঙ্ক আরও বেড়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দিদি খেলা করতে চাইছিলেন, কিন্তু খেলা হয়ে গিয়েছে। এব্যাপারে তিনি ক্রিকেটের উদাহরণও টানেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলার ভোটাররা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর হিসেবে দিদির ইনিংস শেষ। সাধারণ মানুষও দিদির পুরো টিমকে বলে দিয়েছে মাঠ ছেড়ে দিতে।

তৃণমূল আর ফিরতে পারবে না
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এবারের নির্বাচনে তৃণমূল হারলে তারা আর ফিরতে পারবে না। কেননা এই রাজ্যে কংগ্রেস একবার হেরে যাওরা পরে তারা আর ফিরতে পারেনি। সেটা বামেদের ক্ষেত্রেও হয়েছে। আর সেটা এবার তৃণমূলের ক্ষেত্রেও হতে চলেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলায় বাড়ি বানাতে গেলেও দিদিকে কাটমানি দিতে হয়। কেউ নিজের সম্পত্তি বিক্রি করতে গেলেও কাটমানি দিতে হয়। উৎসব পালন করতে গেলেও দিতে হয় কাটমানি। এই করেই দিরি ঘনিষ্ঠরা সবাই বাড়ি-গাড়ির মালিক হয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications