কী কারণে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আদালতের হস্তক্ষেপ, কিসের ইঙ্গিত বিচারপতির
পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কলকাতা হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করত না, যদি রাজ্য নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন পেশের মেয়াদ বাড়িয়ে তা প্রত্যাহার করত। এমনটাই ইঙ্গিত সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের।
পঞ্চায়েত নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কলকাতা হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করত না, যদি রাজ্য নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন পেশের মেয়াদ বাড়িয়ে তা প্রত্যাহার করত। এমনটাই ইঙ্গিত সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের।

তৃণমূলের পক্ষে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বিভিন্ন তথ্য সাজিয়ে, যুক্তি দিয়ে বিচারপতিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন, একবার নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেলে, তাতে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। এমন কী আদালতও না। তাছাড়াও পঞ্চায়েত আইনে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া রয়েছে।
বিচারপতি সুব্রত তালুকদার সুপ্রিম কোর্টের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টে ৯ এপ্রিল জানিয়েছিল তারা পঞ্চায়েত ভোটে হস্তক্ষেপ করতে চায় না। একইসঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ উঠেছে, তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছিল আদালত।
আদালত সূত্রে খবর, বিচারপতি প্রশ্ন করেন, কমিশন মনোনয়ন পেশ করার সময়সীমা বাড়িয়ে যদি প্রত্যাহার করে না নিত, তাহলে কি হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হত?
মঙ্গলবারের শুনানিতে তৃণমূলের তরফে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস, পিডিএস, সিপিআই-এর দায়ের করা মামলাগুলি আদৌ টেকে কিনা তা নিয়ে সওয়াল করেন।












Click it and Unblock the Notifications