বাড়ছে উন্মাদনা! নাসার চন্দ্রঅভিযানে যাচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজা চারি
বাড়ছে উন্মাদনা! নাসার চন্দ্রঅভিযানে যাচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজা চারি
করোনা আবহের মাঝেও থেমে নেই মানুষের অনুসন্ধিৎসা। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের প্রচেষ্টার পাশাপাশি জোরকদমে চলছে মহাকাশ গবেষণাও। সম্প্রতি চিনের 'লং মার্চ ৫'-এর সাফল্যের পর নাসাও হাঁটতে চলেছে একই পথে। গত বুধবার আগামী চন্দ্র অভিযানের জন্য সম্ভাব্য মহাকাশচারীর তালিকা প্রকাশ করেছে নাসা। 'আর্টেমিস অভিযান'-এর দলে একমাত্র ইন্দো-মার্কিনি হিসাবে নাম রয়েছে রাজা জন ভারপুতুর চারির। আর এখবর শুনতেই উচ্ছ্বসিত ভারতীয়রা।

তালিকায় ভারতের একমাত্র প্রতিনিধি
সূত্রে খবর, মার্কিন বায়ুসেনার আওতায় স্নাতক রাজা মার্কিন নৌসেনার তত্ত্বাবধানেও প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। জানা গেছে, ৪৩ বছরের রাজা ২০১৭ সাল নাগাদ নাসার মহাকাশচারী প্রশিক্ষণের ক্লাস শেষ করেন। তারপরেই তার ভাগ্যে এতবড় শিকে ছিঁড়ল। বুধবার ফ্লোরিডায় অবস্থিত নাসার কেনেডি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে মহাকাশচারীদের তালিকা ঘোষণার পর সহ-কর্মাধ্যক্ষ মাইক পেন্স জানিয়েছেন, "আমি এটা ভেবেই শিহরিত যে এক্ষুনি যে নামগুলো পড়লাম, তাঁরাই দ্বিতীয় পুরুষ ও প্রথম মহিলা হিসেবে চাঁদে পা রাখতে চলেছেন। আমেরিকার জন্য এটা গর্বের দিন।"

২০২৪ সালেই অভিযানের পরিকল্পনা
নাসার সূত্রে জানা গেছে, আর্টেমিস দলের প্রতিনিধিদের মধ্যে সর্বোচ্চ বয়স ৫৫ ও সর্বনিম্ন বয়স ৩২। নাসা জানিয়েছে, '২০২৪-এ আমাদের আগামী চন্দ্র অভিযান শুরু হবে এবং আগামী দশকের মধ্যেই চাঁদে মানুষের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি আমরা দেখতে পাব।" নাসার আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এখন টানা প্রশিক্ষণ চলবে মহাকাশচারীদের এবং দলের অতিরিক্ত সদস্যরা পরে প্রধান সদস্যদের সঙ্গে একযোগে কাজও করবেন। এমতাবস্থায় নাসার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা মহাকাশবিজ্ঞানীমহল।

আগামী বছর থেকেই শুরু প্রযুক্তি সংক্রান্ত কর্মযজ্ঞ
নাসরা প্রধান কার্যনির্বাহী পরিচালক জিম ব্রিডেনস্টেইন জানিয়েছেন, "রাষ্ট্রপতি সহ সকল প্রশাসনিক আধিকারিক আমাদের সহায়তা করেছেন। আর এই গোটা মিশনটিক কৃতিত্বই আমাদের মহাকাশ গবেষক ও প্রযুক্তিবিদদের।" সূত্রের খবর, পরবর্তী বছর থেকেই প্রযুক্তি সংক্রান্ত কর্মযজ্ঞ শুরু হবে। ইতিমধ্যেই মহাকাশচারীদের সঙ্গে নিয়ে চাঁদে অবতরণ সহ অন্যান্য সকল জটিল প্রক্রিয়ার ব্লু-প্রিন্ট ছকে ফেলেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা।

ঠিক কতটা উচ্ছ্বসিত মহাকাশচারীরা ?
নাসার আর্টেমিস অভিযানের প্রধান মহাকাশচারী প্যাট ফরেস্টার জানিয়েছেন, "আমাদের এখনও অনেক কাজ বাকি। চাঁদে যেতে গেলে আমাদের এক হয়ে সবকিছু করতে হবে। দলবদ্ধ ভাবে কাজের মাধ্যমেই আমরা সফল হব বলে আশা রাখি।" ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী রাজা চারিও গোটা অভিযানের কথা ভেবে বিস্মৃত। উচ্ছ্বাস না লুকিয়েই তিনি বলেন, " এ যেন একজন্মের স্বপ্ন সফল হতে চলেছে।" এদিকে চাঁদে প্রথম মহিলা মহাকাশচারী হিসেবে যেতে চলেছেন ক্রিশ্চিয়ানা কোচ ও জেসিকা মেইর। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বছর বিশ্বের প্রথম মহিলা হিসেবে মহাকাশে হাঁটার কর্তৃত্বও এই দুই মহাকাশচারীর পকেটে।












Click it and Unblock the Notifications