ইরানে হামলার পরিকল্পনা আচমকা বাতিল করলেন ট্রাম্প! পিছনে কোন রহস্য?
বিস্তর হুমকি দিয়েও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আপাতত ইরানে হামলা করা বাতিল করেছেন। তেহরানের সঙ্গে আলোচনার পরেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে খবর। ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। এমন দাবি করে নিজের সিদ্ধান্তের কথা ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছেন ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে।
গত মঙ্গলবার রাতে ট্রাম্প ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন খুব কঠিন হামলা চালানো হবে। একদিনের মধ্যেই উল্টো অবস্থান নিলেন ট্রাম্প। এখন সামরিক পদক্ষেপের পরিবর্তে কূটনীতির পথে হাঁটতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র?

ট্রাম্প জানিয়েছেন, দুই দেশ একটি বড় চুক্তিতে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সমঝোতার রূপরেখায় সম্মত হয়েছে। সৌদি আরব, ইজরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও তুরস্ক এতে আছে। এছাড়া কাতার, পাকিস্তান, বাহরিন, কুয়েত, জর্ডন ও মিশরও জড়িত। শিগগিরই চুক্তি সইয়ের স্থান জানানো হবে।
তবে আপাতত মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকছে। চুক্তির আনুষ্ঠানিক রূপ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি চলবে। ট্রাম্প জানান, অবরোধ আগের মতোই কার্যকর থাকবে। কূটনৈতিক আলোচনা এগিয়ে চললেও এই ব্যবস্থা এখনই উঠছে না।
ইরানি নেতা মহম্মদ বাঘের গালিবাফ এই নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ট্রাম্পের হুমকির কড়া জবাব দিয়েছেন তিনি। গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, উত্তেজনা বাড়লে ভয়াবহ ফল হবে। ভুল সিদ্ধান্তে জ্বালানি বাজার ধ্বংস হতে পারে। এটি কয়েক বছরের সংকটের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
তথ্য অনুযায়ী দুদেশের আলোচনা জোরদার হয়েছে। যুদ্ধের ঝুঁকি এড়াতে আলোচনার চেষ্টা চলছে নিয়মিত। ইরানের আটকে থাকা শত কোটি ডলার উদ্ধারই মূল বিষয়। এই অর্থ পাওয়ার জন্য ইরান মরিয়া হয়ে আছে।
ইরান দ্রুত এই অর্থ ফেরত পেতে চায়। ওয়াশিংটন শর্ত সাপেক্ষে অর্থ ছাড়ের পক্ষে। ইরান নিষেধাজ্ঞা তোলা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা চায়। মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের ক্ষতিপূরণ দিতে হতে পারে ইরানকে।
তাৎক্ষণিক হামলার ঝুঁকি অনেকটা কমে গেছে। তবে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি এখনো হয়নি। আলোচনার ভবিষ্যৎ এখনো বেশ অনিশ্চিত। তেহরান থেকে যদিও কোনো সরকারি ঘোষণা আসেনি।












Click it and Unblock the Notifications