লাদাখ সংঘাতের মাঝে চিনের মদতে পাকিস্তানে তৈরি হচ্ছে নয়া মিসাইল সিস্টেম! তথ্য ফাঁস গোয়েন্দা রিপোর্টে
শুধুমাত্র উত্তরের লাদাখ সীমান্তই নয়, জম্মু ও কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তানও মুখিয়ে রয়েছে সংঘাতের রাস্তায় হাঁটতে। তবে ভারতের সেনার বিপুল ক্ষমতার সামনে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান আপাতত ঘরের অস্ত্র শান দিচ্ছে। আর সেই কাজে পাকিস্তানকে সাহায্যে এগিয়ে এসেছে তাদের সব মরশুমের বন্ধু চিন।

লাদাখ সংঘাত ও চিন পাকিস্তান অশুভ আঁতাত
একদিকে যখন লাদাখে চিনের সঙ্গে চরম সংঘাত তৈরি হচ্ছে, তখন জম্মু ও কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তানও নিজের সন্ত্রাসের ডালপালা বাড়িয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য়, এমনই এক পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে মিসাইল সিস্টেম উন্নত করার কাজে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে চিন। এই তথ্য ভারতীয় গোয়েন্দাদের রিপোর্টে উঠে এসেছে।

কোন এলাকা থেকে ভারতকে নিশানা?
জানা গিয়েছে চিন -পাকিস্তানের এই অশুভ আঁতাত রীতিমতো জোরালো হয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের বুকে। জানা গিয়েছে, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের বুকে লালফৌজ ও পাকিস্তানি সেনা যৌথভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে , মিসাইল সিস্টেম আপগ্রেড করার। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের লাদাসাদান্না ঢোক এলাকার কাছে দুই দেশের গোপন কর্মকাণ্ড চলছে।

চিনের সেনার মধ্যে পাক সেনা জওয়ান!
সামরিক দিক দিয়ে পাকিস্তান ও চিন যে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করছে, তা বলাই বাহুল্য। কারণ কয়েক দিন আগেই একটি ভাইরাল ছবিতে দেখা গিয়েছে, চিনের সেলার অন্দরে এক অন্য চেহারার জওয়ান। যাঁর চেহারার ধরন বলে দিতে পারে তিনি চিনের নন। আর সেই থেকেই সন্দেহ যে সেই জওয়ান পাকিস্তানের। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, শীতকালীন যুদ্ধে ভারতের সঙ্গে লড়াইয়ের প্রস্তুতির জন্য চিন পাকিস্তানের মদত নিচ্ছে। আর সেই কারণেই পাক সেনার জওয়ানরা চিনের সেনাকে প্রশিক্ষিত করছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

মিসাইল সিস্টেমের কাজের বিস্তারিত খতিয়ান.. গোয়েন্দা রিপোর্ট
জানা গিয়েছে পাকিস্তানের সেনার বাঘ এলাকার হেডকোয়ার্টারে মিসাইল সিস্টেম উন্নতকররা মূল কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে । এছাড়াও পাকিস্তান অধিকডত কাশ্মীরের বালা জেলার হাত্তিয়ানে আরও একটি পাক সেনার কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। প্রজেক্টে মোট ২৫ থেকে ৪০ জন পাকিস্তানের সাধারণ নাগরিক রয়েছে। আর ১৩০ জন পাকিস্তানি সেনা জড়িত রয়েছে।

করাচিতে চিনের জাহাজ!
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের করাচিতে চিনের জাহাজ যেতে দেখেই ভারতীয় গোয়েন্দাদের স্ক্যানার গোটা বিষয়টিকে তাক করেছিল। এমন একচি জাহাজ গুজরাতের পোরবন্দরে ধরাও পড়ে। মনে করা হচ্ছে, এভাবেই চিনের মদতে পাকিস্তান মিসাইলের জন্য চিন থেকে বহু উপাদান জলপথে আনিয়েছএ।












Click it and Unblock the Notifications