রাষ্ট্রপুঞ্জে কোনোভাবেই বরদাস্ত নয় চিনা আধিপত্য! কড়া রিপোর্ট মার্কিন কংগ্রেসে
রাষ্ট্রপুঞ্জে কোনোভাবেই বরদাস্ত নয় চিনা আধিপত্য! কড়া রিপোর্ট মার্কিন কংগ্রেসে
রাষ্ট্রপুঞ্জে চিনা আধিপত্য নিয়ে এর আগেও একাধিকবার সরব হয়েছে ভারত। এবার কড়া প্রতিক্রিয়া এল আমেরিকার তরফেও। রাষ্ট্রপুঞ্জের সদস্যদের নিয়ে ভোটাভুটি নিয়েও এবার রীতিমতো বড়সড় উদ্বেগ প্রকাশ করল মার্কিন-চিন অর্থনৈতিক ও সুরক্ষা পর্যালোচনা কমিশনও।

রাষ্ট্রপুঞ্জের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রাভাবিত করার অভিযোগ
সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপুঞ্জের ভোটাভুটিতে এর আগেও একাধিক সদস্য দেশকে প্রভাবিত করা অভিযোগ উঠেছে বেজিংয়ের বিরুদ্ধে। এবার সেটাই যে মার্কিন প্রশাসন ভালো চোখে দেখছে না তা আরও একবার কড়া ভাষায় বুঝিয়ে দিল ওয়াশিংটন। রাষ্ট্রপুঞ্জের নীতিমালা এবং অধীনস্থ সংস্থাগুলিকে ভুল পথে চালিত করার বিষয়েও চিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে মার্কিন কমিশন।

মার্কিন কংগ্রেসেও রিপোর্ট জমা দিয়েছে কমিশন
এমনকী এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মার্কিন কংগ্রেসেও রিপোর্ট জমা দিয়েছে কমিশন। মঙ্গলবারই এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় বলে জানা যাচ্ছে। ওই রিপোর্টেই চিনা আগ্রাসন ঠএকাতে মার্কিন কংগ্রেসকে একাধিক নির্দেশাবলী পাঠিয়েছে কমিশন। আমেরিকার সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এই বিষয়ে বার্ষিক প্রতিবেদনও তৈরি করতে বলেছে কমিশন।

আন্তর্জাতিক মহলে কতটা চাপে পড়তে পারে বেজিং ?
ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, আগামী সুনির্দিষ্ট তদন্ত প্রক্রিয়ার পর ওই রিপোর্ট সামনে এলে রীতিমতো চাপে পড়তে পারে চিন। সূত্রের খবর, গত বছর থেকে একাধিক রাষ্ট্রপুঞ্জের একাধিক সম্মেলন কী ভাবে চিনের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, এমনকী রাষ্ট্রপুঞ্জ অধীনস্থ একাধিক সংস্থাকে কী ভাবে শুধুমাত্র নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য ব্যবহার করছে চিন, তা খতিয়ে দেখতে চলেছে আমেরিকা। পাশাপাশি ভোটাভুটির সময় কীভাবে গায়ের জোর দেখিয়েছে বেজিং, সেই বিষয়েও পূ্র্ণ তদন্ত করতে চলেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

রাষ্ট্রপুঞ্জের মোট বাজেটের ১২ শতাংশই আসে চিন থেকে
ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, " একাধিকবার রাষ্ট্রপুঞ্জের নীতিমালাও লঙ্ঘন করেছে বেজিং, এমনকী মানবাধিকারের ক্ষেত্রেও ব্যক্তি অধিকারের উপর জোর কমিয়ে দীর্ঘদিন থেকে নিজ স্বার্থসিদ্ধিরও চেষ্টা করে আসছে চিন। এমনকী আন্তর্জাতিক আইনও বদলের চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে রাষ্ট্রপুঞ্জে অনুদানের নিরিখে আমেরিকার পরেই রয়েছে জিনপিংয়ের দেশ। রাষ্ট্রপুঞ্জের মোট বাজেটের ১২ শতাংশই দেয় চিন। আর এটাকে ঢাল করে বাকী দেশগুলির উপর চার সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি।"












Click it and Unblock the Notifications