দলনেত্রীর হস্তক্ষেপেই মিটল সমস্যা, অভিষেকের সামনেই ফোনে মমতার সঙ্গে কথা শুভেন্দুর
দলনেত্রীর হস্তক্ষেপেই মিটল সমস্যা, অভিষেকের সামনেই ফোনে মমতার সঙ্গে কথা শুভেন্দুর
অভিষেককে মানি না। প্রবল আপত্তি জানিয়ে বেঁকে বলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শেষে তাঁকে আটকাতে মঞ্চে অবতীর্ণ হতে হল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই। মঙ্গলবার প্রায় ঘণ্টা তিনেকের বৈঠকে টিম পিকেও ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সৌগত রায়ের ফোন থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাতেই কাজ হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। শুভেন্দু তৃণমূলেই থাকছেন। শিশির অধিকারী থেকে সৌগত রায় দুই শীর্ষ নেতাই এক সুরে মন্তব্য করেছেন।

মমতার সঙ্গে কথা শুভেন্দু
বিবাদ মেটাতে শেষে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই ময়দানে নামতে হল। গতকাল প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার বৈঠকে অভিষেকের সামনেই ফোনে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতার এক ফোনেই কাজ হয়েছে। সংকট কেটে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন সৌগত রায়। শিশির অধিকারীর বক্তব্যেও ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। তিনি বলেছেন সমস্যা মিটে গেলেই দলের ভাল।

অভিষেক-শুভেন্দু বৈঠক
গতকাল সন্ধে সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত উত্তর কলকাতার একটি বাড়িতে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করেন প্রশান্ত কিশোর ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে ছিলেন সৌগত রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দীর্ঘক্ষণ বৈঠকের পরেও সমাধান সূত্র যখন পাওয়া যাচ্ছে না তখন ফোন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু বরাবরই দলনেত্রীর প্রতি আস্থা রেখেছিলেন। তাতেই কাজ হয়েছে।

বৈঠক ফলপ্রসূ
মমতার হস্তক্ষেপে বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলে দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের। সৌগত রায় দাবি করেছেন শুভেন্দু তৃণমূলেই রয়েছেন। সব সমস্যা মিটে গিয়েছে। একসঙ্গেই কাজ করবেন তাঁরা। শুভেন্দু কোনওদিনই তৃণমূল ছাড়ার কথা ভাবেননি। বলে দাবি করেছেন সৌগত রায়। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারীও এই নিয়ে আশাপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন সব সমস্যা মিটে গেলেই দলের পক্ষে ভাল।

অভিষেকে ক্ষুব্ধ শুভেন্দু
গত এক মাস ধরে রাজ্য রাজনীতিতে কেন্দ্রে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দলের ব্যানার ছাড়াই একাধিক জায়গায় সভা করেছিলেন তিনি। সেখানে দলের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর নেতাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও তিক্ততার সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন তিনি। প্রকাশ্য শুভেন্দুকে টার্গেট করে আক্রমণ শানিয়েছিলেন শুভেন্দু। একাধিকবার শুভেন্দুকে নিয়ে দলনেত্রীর নির্দেশে বৈঠক করেছিলেন সৌগত রায়। তাতে কাটেনি জট। মন্ত্রিত্ব ছেড়েছিলেন শুভেন্দু। অভিষেক ও প্রশান্ত কিশোরের দল পরিচানায় আপত্তি জানিয়েছিলেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications