কৃষি আইন বিরোধিতায় নাজেহাল, বিদ্রোহীদের সামনে হাতজোড় প্রধানমন্ত্রী মোদীর!
কৃষি আইন বিরোধী আন্দোলনে জেরবার পাঞ্জাব এবং দিল্লি সীমানা। এরই মাঝে এদিন মধ্যপ্রদেশের ২৬ হাজার কৃষকদের উদ্দেশে বক্তব্য পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এই বক্তৃতা দেওয়ার সময় এদিন বিরোধী দলের উদ্দেশে মোদী বার্তা দেন, বিরোধী দলগুলি এই সংস্কারের কথা নিজেদের ইস্তেহারে লিখেছিল। আজ আমি তাদেরকে বলতে চাই আপনারা সব ক্রেডিট নিয়ে নিন। আমি আপনাদের সেই ইস্তেহারকেই সব ক্রেডিট দিচ্ছি। তবে আমি হাত জোড় করে প্রার্থনা করছি যে আপনারা দয়া করে এই ইস্যুতে রাজনীতি বন্ধ করুন।

সব রাজনৈতিক দলের কাছে হাতজোড় করে প্রার্থনা
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি সব রাজনৈতিক দলের কাছে হাতজোড় করে প্রার্থনা করছি যে আপনারা এই সংস্কারের সব ক্রেডিট নিন। আমি এই সংস্কারের নেপথ্যে আপনাদের পুরোনো ইস্তেহারকেই ক্রেডিট দিচ্ছি। আমি শুধু কৃষকদের জীবন সহজ করতে চাই। আমি চাই তাদের কৃষি কাজ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার হোক।'

আধুনিকতম সুবিধা পাবেন দেশের কৃষকরা
প্রধানমন্ত্রী এদিন বলেন, আধুনিকতম সুবিধা পাবেন দেশের কৃষকরা। বহু চর্চার পরই আজ এই আইন এসেছে। বড় বড় কথা বলে কৃষকদের কাছে ভোট চায় বিরোধীরা। তবে সেই সব কথা কার্যকর করা হয়নি। এরা স্বামীনাথন রিপোর্টকে আট বছর দাবিয়ে রেখেছেলি। এরা কৃষকদের জন্যে বেশি খরচ করতে চাইতেন না। এই কৃষি আইনগুলি পাশ হয়েছে আরও ৫-৬ মাস আগে। তাহলে আজ কেন এটা নিয়ে রাজনীতি বা আন্দোলন হচ্ছে?

আমাদের সরকার কৃষকদের অন্নদাতা মনে করে
প্রধানমন্ত্রীর কথায়, আমাদের সরকার কৃষকদের অন্নদাতা মনে করে। আমরা তাই ফাইলের স্তূপ থেকে বের করেছি স্বামীনাথন রিপোর্ট খুঁজে বের করেছি। এবং এটি লাগু করেছি। আমরা দেড় গুণ ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দিচ্ছি। আজ যাদের জন্যে দেশের এই হাল, তাঁরাই আজ রাজনৈতিক ভাবে বেঁচে থাকতে কৃষক আন্দোলনের মাধ্যমে ভোটব্যাঙ্কের বীজ বপণ করছে।

আমরা দেশের ৩৫ লক্ষ কৃষকদের টাকা দিয়েছি
প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, আমরা দেশের ৩৫ লক্ষ কৃষকদের টাকা দিয়েছি। কিন্তু কংগ্রেস গরিব কৃষকদের কথা ভাবেনি। দেশ এঁদের দেখছে। দেশবাসী এঁদের চিনে গিয়েছে। এরা মধ্যপ্রদেশে কড় ক্ষমা করার বার্তা দিয়ে সরকার গঠন করেছিল। আমি জিজ্ঞাসা করতে চাই এরা কতজন কৃষকের কড় ক্ষমা করেছে? করেছে, বড় বড় কয়েকজন কৃষকদের। এরপর নিজেদের ভোট ব্যাঙ্কের চিন্তা চলে গেলে সব চুপ।

কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তপ্ত দিল্লি সীমান্ত
এদিকে কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তপ্ত দিল্লি সীমান্ত। বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশের বহু কৃষক । ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কৃষক সংগঠনের প্রতিনিধিদের একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। এমনকী তাঁদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি।












Click it and Unblock the Notifications