কর্নাটক নির্বাচনের ফলাফল ২০২৩: বিজেপি মুক্ত দক্ষিণ ভারত, কর্নাটকের জয়ের পর হুঙ্কার খাড়গের
কর্নাটকে বিজেপির হারের পর উচ্ছ্বাস শুরু হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস শিবিরে। কংগ্রেসের এই জয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। মল্লিকার্জুন খাড়গে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপি মুক্ত দক্ষিণভারত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১৮ নির্বাচনের পর কংগ্রেস মুক্ত ভারত গড়ার ডাক দিয়েছিল বিজেপি।
গত কয়েক বছরে কংগ্রেস প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে বসেছিল। নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে তারা। কর্নাটকের বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের জয় নতুন করে আশা দেখাচ্ছে। তাই বিেজপিকে পাল্টা তোপ দিয়েছেন কংগ্রেসের নতুন সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।

খাড়গের নেতৃত্বে কর্নাটকে পালাবদল ঘটিয়েছে কংগ্রেস। লোকসভা ভোটের আগে কর্নাটকে কংগ্রেসের এই জয় অত্যন্ত তাৎপর্য পূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিরোধী ঐক্যেও যেন জোয়ার নিয়ে এসেছে কংগ্রেসের এই ফলাফল। অনেক দিন পর উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে।

কর্নাটকে কংগ্রেসের জয়ের পর দক্ষিণভারতের কোনও রাজ্যই আর বিজেপির দখলে রইল না। তামিলনাড়ুতে সরকারে রয়েছে ডিএমকে। কেরল বামেদের দখলে। এবার কর্নাটকও হাতছাড়া হল। আর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানা তো প্রথম থেকেই িবজেপির ধরা ছোঁয়ার বাইরে। দক্ষিণ ভারতের কোনও রাজ্যেই আর বিজেপির দখলে থাকল না
একটা সময়ে বিজেপি ডাক দিয়েছিল কংগ্রেস মুক্ত ভারত গড়ার। সেই লক্ষ্যে তারা অনেকটা সফলও হয়েছিল। কর্নাটকে জয়ের পর কংগ্রেস পাল্টা বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে এবার বিজেপি মুক্ত দক্ষিণ ভারত। অর্থাৎ বিজেপি মুক্ত ভারতের ডাক দিয়েছেন তিনি।
কর্নাটকে কংগ্রেসের জয়ের জেরে চাপ বাড়ল বিজেপির। দক্ষিণ ভারতের তার রাজ্য বিজেপির হাত ছাড়া হয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ, ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, পাঞ্জাব, দিল্লি, বিহার, রাজস্থানও বিজেপি ক্ষমতায় নয়। কাজেই ২০২৪-র লোকসভা ভোটে চাপ বাড়ল বিজেপির। কারণ বিজেপি ক্ষমতাসীন রাজ্যগুলির ভোট ব্যাঙ্ক নিয়ে তেমন কোনও চাপ নেই। তবে অবিজেপি রাজ্যগুলিই মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
কর্নাটকে কংগ্রেসের এই জয়ের নেপথ্যে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা অনেকটাই কাজ করেছে। তার সঙ্গে কাজ করেছে মল্লিকার্জুন খাড়গের নেতৃত্ব। ভূমিপুত্র মল্লিকার্জুন খাড়গের কংগ্রেস সভাপতি পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর কর্নাটকের এই সাফল্য বড় বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।
তার উপরে কর্নাটকে বজরং দলকে নিষিদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি, মুসলিমদের সংরক্ষণ দেওয়া সহ একাধিক ফ্যাক্টর কাজ করছে। এই নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। কংগ্রেসের এই জয় নতুন করে বিরোধী ঐক্য নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে কর্নাটকের এই ফলাফলের পর কংগ্রেসও সাবধানী হয়ে উঠেছে।












Click it and Unblock the Notifications