করোনাকালে আরও এক ভোট মিটতেই শ্মশানের স্তব্ধতা! আর্তনাদ শিক্ষক থেকে হেভিওয়েট নেতাদের পরিবারে
কতর্ব্যকে কুর্ণিশ জানিয়ে তাঁরা দুর্ধর্ষ কোভিড পরিস্থিতিতেও ভোটের দায়িত্ব সামলাতে পিছপা হননি। করোনাকালে মধ্যপ্রদেশে যখন কড়া কোভিড বিধি লাগু হয়ে গিয়েছিল, তখন এই বিজেপি শাসিত রাজ্যে শুধু দামোহ এলাকা বাদ দিয়ে বাকি জায়গায় লকডাউনের মতো কড়া বিধি লাগু হয়। কারণ এপ্রিল মাসে এই এলাকায় ছিল উপনির্বাচন। যা শেষ হতেই শ্মশানের স্তব্ধতা শুরু হয়েছে।

আরও এক বিজেপি শাসিক রাজ্যে কী ঘটেছে?
বাংলার বুকে করোনাকালে আট দফার ভোট বিপজ্জনক হতে পারে বলে বারবার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পরবর্তীকালে ভোটের পর ডিউটিতে থাকা বহু কর্মীদের পরিবার থেকে দুঃসবাদ উঠে এসেছে। উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ডিউটিতে যাওয়া বহু শিক্ষকের মৃত্যুর খবরও গায়ে কাঁটা দিয়েছে। এরপর বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশের দামোহতে উপনির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ১৭ জন শিক্ষকের মৃত্যু ঘটেছে। যা ঘটনা নিঃসন্দেহে ঘরতর সমালোচনার মুখে পড়েছে।

উপনির্বাচন ও মৃত্যু মিছিল
২০২০ সালের অক্টোবর মাসে মধ্যপ্রদেশের দামোর বিধায়ক রাহুল লোধি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। সেই প্রেক্ষিতে এখানে ভোট হয়। মূলত এই ভোট বিজেপি-কংগ্রেসের প্রেস্টিজ ফাইট ছিল। এদিকে, এই উপনির্বাচনের দায়িত্বে আসা ২৪ জন শিক্ষক ভোট মিটতেই করোনার শিকার হন। ১৭ জনের মৃত্যুর খবর আসে। এরপর ২৪ টি পরিবার এই ক্ষতির ক্ষতিরপূরণ দাবি করে ডেলাশাসকরে কাছে চিঠি পাঠিয়েছে। যা কমিশনকে পাঠান হবে কি তা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ইঙ্গিতজানিয়েছেন জেলাশাসক।

একের পর এক হেভিওয়েট পজিটিভ
প্রসঙ্গত, এই নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয় ১৭ এপ্রিল। এদিকে ১৫ এপ্রিল কংগ্রেসের প্রার্থী অজয় টান্ডন কোভিড পজিটিভ হন।পর পর কংগ্রেসের একাধিক নেতা নেত্রী এরপর থেকে আক্রান্ত হতে থাকেন কোভিডে। বিজেপি স্থানীয় এলাকায় ৬ জন হেভিওয়েট কে এই নির্বাচনের মধ্যে হারায় করোনার জেরে।

একটি ব্লকে ১৭ কর্মীর মৃত্যু
এদিকে, কংগ্রেসের তরফে খবর একটি ব্লকের মধ্যে ১৭ জন পার্টি কর্মী এই নির্বাচনের সময় মারা গিয়েছেন। যেখানে দামোহতে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত করোনার জেরে ৩ জনের মৃত্যুর খবর আসে, সেখানে ভোচ মিটতেই এপ্রিলে সেখানে ২০ জনের মৃত্যুর (করোনার) খবর রেজিস্টার হয় বলে জানা গিয়েছে। এমনই দাবি করছে কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications