প্রথম ডোজে বাড়ছে না প্রতিরোধ ক্ষমতা! আদৌও কী বদলাচ্ছে কোভ্যাক্সিনের ডোজের ব্যবধান?
প্রথম ডোজে নিরাপত্তা কম! অপরিবর্তিত কোভ্যাক্সিনের ডোজ ব্যবধান
কোভিড মহামারীর পাশাপাশি গোদের উপর বিষফোঁড়ার মত চিন্তা বাড়াচ্ছে 'ব্ল্যাক ফাঙ্গাস'। তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, রাজস্থানের পর ছত্রাক আতঙ্ক ঢুকে পড়েছে বাংলাতেও! করোনা-পরবর্তী সংক্রমণ হিসেবে কৃষ্ণ ছত্রাকের আক্রমণের বিষয়ে অতিমারী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে কেন্দ্র। এরই মাঝে কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনের ডোজ ব্যবধান ঘিরে বাড়ছে ধন্দ।

কোভিশিল্ডের ডোজ ব্যবধান বাড়লেও কোভ্যাক্সিনের নিয়ম আগের মতোই
প্রথম থেকেই কোভিশিল্ড সম্পর্কে চিকিৎসকরা নিশ্চিন্ত থাকলেও ট্রায়াল জনিত ধোঁয়াশার কারণে কোভ্যাক্সিন ঘিরে কিছু সংশয় ছিলই। প্রথম ডোজেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করার দরুণ ডোজ ব্যবধান বাড়ানো হয়েছে কোভিশিল্ডের। প্রথমম ও দ্বিতীয় ডোজের মাঝে ১২-১৮ সপ্তাহের ফাঁক রাখা হলেও কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে সেই ব্যবধান আগের মতোই চার সপ্তাহ থাকবে, বলে খবর কেন্দ্রের।

তিন মাস ব্যবধানে ভাল ফল কোভিশিল্ডের
কোভিশিল্ডের ডোজ ব্যবধান বাড়িয়ে প্রায় তিন মাস করার প্রসঙ্গে আইসিএমআর প্রধান ডঃ বলরাম ভার্গবের মত, "প্রথম ডোজের পর শরীরের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতায় বড়সড় বদল আনছে কোভিশিল্ড"। দুই ডোজের মধ্যে তিন মাসের ব্যবধান রাখলে যে আদতে রোগীদের জন্যই ভালো, তা স্পষ্ট করেছেন ভার্গব।

সুনিশ্চিত ইমিউনিটির জন্য ১ মাসের মাথায় দ্বিতীয় ডোজ!
কোভিশিল্ডের ন্যায় সক্রিয় না হওয়ার দরুণ অপরিবর্তিত থাকছে কোভ্যাক্সিনের ডোজ ব্যবধান, খবর কেন্দ্রীয় সূত্রে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বিবৃতি অনুসারে, প্রথম ডোজের পর সেভাবে রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতাকে বলশালী করছে না কোভ্যাক্সিন। স্বাভাবিকভাবেই শরীরের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে চার সপ্তাহের মাথাতেই কোভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া প্রয়োজন, মত ডঃ ভার্গবের।

কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা
"কোভ্যাক্সিনের প্রথম ডোজ নেওয়ার পরে দেহ থেকে মারণ ভাইরাসের দূরীকরণ হলে যথাসত্ত্বর দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া উচিত", মত ভার্গবের। সেক্ষেত্রে ডোজ ব্যবধান ৪ মাস থেকে কমে তিন মাস হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ডঃ বলরাম ভার্গবের সাফ কথা, "টিকা নেওয়ার পর অ্যান্টিবডির প্রাণ কতদিন, সে বিষয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তাই ৩ মাসের মাথাতেই দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া উচিত"।












Click it and Unblock the Notifications