কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজেই কুপোকাত করোনা, প্রতিরোধের দৌড়ে পিছিয়ে পড়ছে কোভ্যাক্সিন
কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজেই কুপোকাত করোনা, প্রতিরোধের দৌড়ে পিছিয়ে পড়ছে কোভ্যাক্সিন
করোনা যুদ্ধে ভারতে এখনও কেন্দ্রের মূল হাতিয়ার কোভিশিল্ড-কোভ্যাক্সিনই। এদিকে কার্যকারিতা নিয়েই শুরু থেকেই একাধিকবার বিতর্কের মুখে পড়েছে দুটি টিকাই। যদিও শুরু থেকেই আম-আদমির ভরসা আদায়ে অনেকটাই এগিয়ে কোভিশিল্ড। অন্যদিকে তৃতীয় পর্বের ট্রায়াল শেষ হওয়ার আগেই কোভ্যাক্সিনকে জরুরি ভিত্তিতে টিকাকরণের ছাড়পত্র দেওয়ায় শুরু হয় বিতর্ক।

এদিকে কিছুদিন আগে পর্যন্ত দুটি করোনা টিকার দুটি ডোজই ২৮ দিনের ব্যবধানে নেওয়া যেত। কিন্তু বিস্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দেখা গিয়েছিল ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের ব্যবধানে কোভিশিল্ড দিলে তার কার্যকারিতা বেশি। বর্তমানে তা বাড়িয়ে ১২-১৬ সপ্তাহ করা হয়েছে। এদিকে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ টিকে সাধারণত বুস্টার ডোজ বলা হয়। প্রথম ডোজের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেই দ্বিতীয় ডোজটির প্রয়োগ করা হয়।
এদিকে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজের ব্যবধান দু-দফায় বাড়ানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে সেরকম কোনও রদবদল ঘটেনি। এর জন্য সমস্ত কোভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা নিয়ে ফের উঠছে প্রশ্ন।গবেষকদের দাবি প্রথম টিকা ডোজ দেওয়ার পর শরীরের বিশেষ করোনা প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারছে না কোভ্যাক্সিন। তা দ্রুত দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ নেওয়াই কাম্য।
কিন্তু অন্যদিকে কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজই করোনাকে ঘায়েল করতে রীতিমোত বড় ভূমিকা রাখছে বলে দাবি করেছেন আইসিএমআর-র প্রধান ডঃ বলরাম ভার্গব। এমনকী প্রথম ডোজ নেওয়ার তিন মাস পরে কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় নিলে তা মানবদেহে অনেক বেশি কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি। কিন্তু এই উচ্চমাত্রার প্রতিরোধ ক্ষমতা এখনও গড়ে তুলতে পারছে না কোভ্যাক্সিন। তাই প্রথম ডোজ নেওয়ার চার সপ্তাহ পরে কোভ্যাক্সিনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ারই পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications