ফাইজারের পর এবার সিরাম ইনস্টিটিউট , কোভিশিল্ডের জন্য কেন্দ্রের অনুমোদন প্রার্থনা
ফাইজারের পর এবার সিরাম ইনস্টিটিউট, কোভিশিল্ডের জন্য কেন্দ্রের অনুমোদন প্রার্থনা, কোভিশিল্ড পাওয়া যাবে কবে
ফাইজারের পর এবার সিরাম ইনস্টিটিউটও করোনা ভ্যাকসিনের জন্য কেন্দ্রের অনুমোদন চাইল। কোভিড শিল্ড প্রয়োেগর জন্য কেন্দ্রের অনুমোদন চেয়েছে সিরাম ইনস্টিটিউট। ড্রাগ কন্ট্রোলারের কাছে অনুমতি চেয়েছে সিরাম ইনস্টিটিউট। অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করছে সংস্থাটি। ব্রিটেনের সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনকার সঙ্গে করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করেছে সিরাম ইনস্টিটিউট।

করোনা ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী মার্কিন সংস্থা আগেই ফাইজার ভ্যাকসিনের জন্য ভারতের কাছে অনুমোদন চেয়েছিল। ব্রিটেন ও বাহরিন সরকার ইতিমধ্যে করোনা ভ্যাকসিন হিসেবে ফাইজারের ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। ভারতের কাছে ফাইজারের জন্য অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। তার পরের দিনই সিরাম ইনস্টিটিউট ড্রাগ কন্ট্রোলারের কাছে করোনা ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের জন্য অনুমোদন চেয়েছে।
অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করছে সিরাম ইনস্টিটিউট। ব্রিটিশ সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনকার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করছে তারা। এর আগে সিরাম ইনস্টিটিউটের কর্নধার আদর পুনেয়ালা জানিয়েছিলেন কোভিড শিল্ড প্রত্যেক দেশবাসীকে দিতে কয়েক কোটি টাকা খরচ করতে হবে মোদী সরকারকে। সেই টাকা মোদী সরকারের পক্ষে দেওয়া সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারপরেই সিরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ডের জন্য অনুমোদন প্রার্থনা করেছে। কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন আগামী সপ্তাহেই করোনা ভ্যাকসিন হাতে পাবে ভারত।
তবে প্রথমে দেশের প্রবীণ নাগরিকদের করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সবার প্রথমে ভ্যাকসিন পাবেন স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকরা। তারপরে সেই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে দুর্বল ব্যক্তিদের। ও করোনা আক্রান্ত রোগীদের। কাজেই এখনও সবার জন্য করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন আসছে না দেশে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে সর্বদল বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সব রাজ্যগুলির কাছে করোনা ভ্যাকসিন মজুত রাখার তথ্যও চেয়ে পাঠিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications