মোহনবাগানকে টাটা বাই বাই সনির, ইস্টবেঙ্গলে -র ডুডু -র ডার্বির হুঙ্কার
দুই দল দুই অবস্থা, ডার্বির আগে দুই দলের বিদেশি নিয়ে দুই রকম অবস্থা।
ডার্বির আগেই মোহনবাগানে শোকের আবহ। বাই বাই সনি নর্ডি। ডার্বি-র পরই এ মরশুেমর জন্য রিলিজ করে দেওয়া হচ্ছে সনি নর্ডিকে। ডার্বিতে তাঁকে ১৮ জনের দলে রাখা হবে। চোট নিয়েও একবার শেষবারের জন্য মোহনবাগান জার্সিতে মাঠে নামার জন্য তৈরি সনি।

তবে ঠিক কীভাবে তা সম্ভব তা এখনও জানা নেই। কারণ চোট পাওয়ার মুম্বইয়ের চিকিৎসক অনন্ত জোশী জানিয়েছিলেন রিহ্যাবের পর ধীরে ধীরে মাঠে ফিরতে পারবেন সনি। কিন্তু দিন ২০ কেটে গেলেও অনুশীলনে ফিরতে পারেননি সনি। দৌড়তে , বলে শট মারতে তো অসুবিধা হচ্ছিলই, এমনকি সাঁতার কাটতেও পারছিলেন না তিনি। এ অবস্থায় অস্ত্রোপচার ছাড়া কোনও গতি নেই জানিয়ে দেন অনন্ত জোশী। এরই জেরে হাইতিয়ান তারকার তাই নাকি অস্ত্রোপচার করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সনি নর্ডি। উড়ে যাচ্ছেন নাকি আর্জেন্তিনায়। অস্ত্রোপচার হলেও মাঠে ফিরতে প্রায় তিন থেকে চার মাস সময় লাগবে তাঁর। ফলে এ মরশুমে আর সম্ভবত মোহনবাগান জার্সিতে খেলা-র সম্ভবনা রইল না সনির।
গত বুধবার সনি নাকি নিজেই মোহন কর্তাদের টেক্সট মেসেজ করে জানিয়ে দেন তিনি আর থাকতে পারবেন না। বাগানের বহু যুদ্ধের নায়কের বিকল্প খোঁজা শুরু করে দিয়েছে মোহন থিঙ্কট্যাঙ্ক। বাগান কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমনভাবেই আলোচনা সেরে রেখে হাইতিয়ান তারকা, সেক্ষেত্রে ২৩ তারিখ রাতেই কলকাতা ছেড়ে যাবেন। ক্লাবের থেকে কোনও বকেয়াও নেবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
আসলে সনি শুধু বাগানের আর পাঁচ জন বিদেশি ছিলেন না। বাগানের ঘরের ছেলে হয়ে উঠেছিলেন। সমর্থকদের নয়নের মণি ছিলেন তিনি। অতএব শেষ হয়ে গেল একটা অধ্যায়।

এদিকে মোহনবাগান যখন ভারাক্রান্ত, ঠিক তখনই ইস্টবেঙ্গলে অনেক খোলামেলা হাওয়া। ডুডু এসে তোপ দাগতে শুরু করে দিয়েছেন। ছাড়ছেন হুঙ্কার। ডুডু জানিয়েছেন , ' ডার্বির জন্য আমি তৈরী । এই ম্যাচটা নিজের প্রথম ডার্বির মতই মনে হচ্ছে । তবে , এটা ডুডুর ব্যাক্তিগত নৈপুন্য দেখানোর জায়গা নয় । এই ম্যাচটা এগারো বনাব এগারো জন ফুটবলারের লড়াই । আমি নিজে মাঠে সেরাটা দিতে চাই । '
এদিকে বাগান ছেড়ে আসা কাটসুমিকে গত ডার্বিতে হারতে হয়েছে তাই এই ম্যাচে জিততে মরিয়া জাপানি বোমা। তিনি বলেছেন , ' প্রথম ডার্বিটা জিততে পারিনি । তবে , এই ডার্বিতে তিনপয়েন্ট দরকার , না হলে লিগের দৌড়ে অনেকটা পিছিয়ে যাব । ডুডুর অন্তর্ভুক্তি নিঃসন্দেহে দলের শক্তি বাড়িয়েছে । ওদের দলেও কিছু পরিবর্তন হয়েছে । যারা ভাল খেলবে তারাই জিতবে । ' ব্যাক্তিগত মাইলস্টোনের প্রসঙ্গে কাটসুমি জানালেন , ' ডার্বিতে সকলেই গোল করতে চায় । তবে কে গোল করল সেটা গুরত্বপূর্ণ নয় , দলের জয়টাই আসল । '












Click it and Unblock the Notifications