ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে রাজস্থান বধ করে গ্রুপ শীর্ষে কেকেআর
ঘরের মাঠে ৯ ম্যাচ অপরাজিত রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ম্যাচ জিতল কলকাতা নাইট রাইডার্স।
ঘরের মাঠে ৯ ম্যাচ অপরাজিত রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ম্যাচ জিতল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ১৬০ রান তাড়া করতে নেমে ১.১ ওভার বাকী থাকতেই লক্ষ্যপূরণ করে ফেললেন নাইট ব্যাটসম্যানরা। প্রথমে বল হাতে প্রতাপ দেখানোর পরে ব্যাট হাতে মাথা ঠান্ডা রেখে ম্যাচ বের করে আনলেন কেকেআর ব্যাটসম্যানরা। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ অবধি কখনওই মনে হয়নি রাজস্থান ম্যাচ জিততে পারে বলে। এতটাই দাপট দেখিয়ে এদিন সহজে ম্যাচ জিতল দীনেশ কার্তিকের ছেলেরা।

কলকাতার হয়ে ওপেন করতে নামেন সুনীল নারিন ও ক্রিস লিন জুটি। লিন ওভারের তৃতীয় বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান। এরপরে দ্বিতীয় উইকেটে রবীন উথাপ্পাকে সঙ্গে নিয়ে নারিন ইনিংস টানেন। জুটিতে ওঠে ৬৯ রান। নারিন ৩৫ রানে ফিরে যাওয়ার পরে উথাপ্পা জুটি বাঁধেন নীতীশ রানার সঙ্গে।
অনবদ্য ব্যাট করছিলেন উথাপ্পা। তবে ৪৮ রান করে কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের বলে ডিপ লং অনে ক্যাচ আউট হন। বাউন্ডারি লাইনে অনবদ্য ক্যাচ নেন বেন স্টোকস। যদিও তারপরেও চাপে পড়েনি কলকাতা। সেখান থেকে ইনিংস ধরে নেয় কার্তিক ও রানা জুটি।
শেষ অবধি এই জুটিই কলকাতাকে জয় এনে দেয়। ৭ বল বাকী থাকতেই কলকাতা ৭ উইকেটে ম্যাচ জেতে। অধিনায়ক কার্তিক ২৩ বলে ৪২ রানে ও নীতীশ রানা ২৭ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন। এদিন জিতে পাঁচ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে চলে গেল কেকেআর।
এদিন বল হাতে শুরুতেই আক্রমণে আসেন কেকেআর এর স্পিন বোলাররা। পীযূষ চাওলা, কুলদীপ যাদব, সুনীল নারিনরা রাজস্থান ব্যাটসম্যানদের আক্রমণ করেন।
এদিন চাওলা ও কুলদীপ ফের বল হাতে অনবদ্য হয়ে উঠলেও নারিন ভালো বল করতে পারেননি। চাওলা ৪ ওভারে ১৮ রানে ১ উইকেট নেন। কুলদীপ ২৩ রানে ১ উইকেট নেন।
সেখানে নারিন একাই ৪ ওভারে ৪৮ রান দেন। তবে নারিনের ওভার ঢেকে দেন পার্ট টাইম স্পিনার নীতীশ রানা। ২ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১১ রানে ২ উইকেট নেন। এছাড়া টম কারান ১৯ রানে ২টি উইকেট নিয়েছেন।
এদিন রাজস্থানের হয়ে রাহানে ৩৬, ডি শর্ট ৪৪ ও শেষদিকে জোস বাটলার ২৪ রান করেন। সবমিলিয়ে ৮ উইকেটে রাজস্থান ১৬০ রানে ইনিংস শেষ করে। যে রান কলকাতা নিশ্চিন্তে তাড়া করে ৭ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিল।












Click it and Unblock the Notifications