ঘূর্ণিঝড় তাউকটের ধাক্কায় ভাঙল ১৬ ফুটের সাইটস্ক্রিন, ওয়াংখেড়েতে শুরু সংস্কার
ঘূর্ণিঝড় তাউকটের ধাক্কায় ভাঙল ১৬ ফুটের সাইটস্ক্রিন, ওয়াংখেড়েতে শুরু সংস্কার
ঘূর্ণিঝড় তাউকটের ধাক্কায় কার্যত তছনছ মুম্বইয়ের আইকনিক ওয়াংখড়ে স্টেডিয়াম। মাঠের গর্বের সঙ্গে জুড়ে থাকা ১৬ ফুটের সাইটস্ক্রিন ভেঙে পড়ে গিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। উড়ে গিয়েছে স্টেডিয়ামের বেশ কয়েকটি ছাউনিও। তুমুল ঝড় এবং বৃষ্টির জেরে পিচ ও মাঠের আউট ফিল্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের তরফে বলা হয়েছে।

করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতার মধ্যে সোমবার শক্তি বাড়িয়ে মুম্বই উপকূলে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় তাউকটে। তছনছ হয়ে যায় একাধিক ছোট-বড় দোকান এবং বাড়ি। ঝড়ের দমকে আহত হন বেশ কয়েকজন। নিখোঁজও হয়েছেন অনেকে। আরব সাগরের ধারে চার্চগেটে দাঁড়িয়ে থাকা ঐতিহ্যের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামও এই ধ্বংসলীলা থেকে রেহাই পেল না। ঝড়ে ধাক্কায় মাঠের নর্থ স্ট্যান্ডের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ১৬ ফুটের সাইটস্ক্রিন ভেঙে পড়ে যায়।
যদিও এই ক্ষতি নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নয় মুম্বই ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও মাঠ কর্তৃপক্ষ। তাদের বক্তব্য, এর আগেও একাধিকবার ভেঙে পড়েছিল ওই সুবিশাল সাইটস্ক্রিন। ২০১১ সালের বিশ্বকাপ চলার সময় শেষবার সেটি ভেঙেছিল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ভেঙে পড়া সাইটস্ক্রিনটিকে নতুন করে প্রতিষ্ঠা করাও খুব সহজ বলে জানানো হয়েছে। শক্ত দড়ির মাধ্যমে টেনে তুলে খাড়া করানোই প্রধান কাজ বলে দাবি। অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় তাউকটের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ওয়াংখেড়ের পিচ ও আউটফিল্ড সংস্কারের কাজ শুরু করেছেন মাঠ কর্মীরা।
উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের জেরে থমকে আইপিএলের ১০টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। দিল্লি ক্যাপিটালস, রাজস্থান রয়্যালস ও পাঞ্জাব কিংসের ম্যাচগুলি হয় এই মাঠে। যেখানে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল জিতেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। একাধারে টিম ইন্ডিয়ার আরও ঐতিহাসিক জয়েরও সাক্ষী মুম্বইয়ের এই স্টেডিয়াম।












Click it and Unblock the Notifications